ডাকসু নির্বাচন
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২২:৩৬ পিএম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের বিজয় একাত্তর হল সংসদে ছাত্রদল মনোনীত পাঠকক্ষ বিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান পলাশের গবেষণায় অসাধারণ সাফল্য রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস থেকে তার একটি বই প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এমন তথ্য জানান তিনি।
প্রকাশিতব্য বইটির নাম ‘নওয়াজিশ খানের অপ্রকাশিত পাণ্ডুলিপি এবং মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে স্তুতি।
এছাড়াও তিনি দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস, মধ্যযুগীয় বাংলা, ভাষাতত্ত্ব ও পাণ্ডুলিপি গবেষণায় কাজ করেছেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন সাফল্য অর্জন করেছেন। ২০২৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার থেকে আঠারো শতকের পাঁচটি পাণ্ডুলিপি পাঠোদ্ধার ও সম্পাদনার জন্য বৃত্তি লাভ করেন। ২০২৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইতিহাস একাডেমির ১৯তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মধ্যযুগীয় ইতিহাসভিত্তিক শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধ উপস্থাপনের জন্য হিস্টোরিয়ান আবদুল করিম স্মৃতি পুরস্কার পান। ২০২৫ সালে বাংলা একাডেমির বৃত্তি অর্জন করেন ‘বড়া তুফানের কবিতা: লোকায়ত বনাম ঔপনিবেশিক বর্ণনায় বন্যা’ প্রবন্ধ লেখার জন্য।
একইসঙ্গে তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। যেমন- ‘পাঠান প্রশংসা ও জোরওয়ারসিং কীর্তি: নওয়াজিশ খানের দুটি অপ্রকাশিত স্তুতিমূলক কবিতা’ শীর্ষক প্রবন্ধটি ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে উপস্থাপন করেন। আবার ২০২৪ সালের এপ্রিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্স আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ‘বাংলা ভাষার বিকাশে মধ্যযুগীয় শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতার পুনর্মূল্যায়ন: জোরওয়ারসিং কীর্তি ও পাঠান প্রশংসা কাব্যদ্বয়ের আলোকে’ শীর্ষক গবেষণা উপস্থাপন করেন।
তার গবেষণার ফল ইতিমধ্যেই কিছু প্রকাশনায় স্থান পেয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইতিহাস প্রবন্ধমালা জার্নালে ‘পাঠান প্রশংসা ও জোরওয়ারসিং কীর্তি: পাণ্ডুলিপি পাঠোদ্ধার ও স্তুতি কবিতার পুনর্মূল্যায়ন’ নামে প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এর পাশাপাশি ২০২৩-২৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের গবেষণা প্রকল্পের অংশ হিসেবে নওয়াজিশ খানের কয়েকটি পাণ্ডুলিপি পাঠোদ্ধার ও সম্পাদনার কাজ করেছেন। এছাড়া ২০২৪ সালে একই জার্নালে থিবো ড’হুবেরের গ্রন্থ ‘অর্থবহ আচার: পূর্ববঙ্গের নূরনামা প্রথায় ফার্সি, আরবি ও বাংলা’এর একটি সমালোচনা প্রকাশ করেছেন।