রাবি সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০২২ ১৬:২৮ পিএম
আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০২২ ১৭:১৮ পিএম
ছবি : প্রবা
ঝরা পাতার শীতে প্রকৃতিকে রাঙিয়ে তুলতে এ দেশের খালে-বিলে ফোটে পদ্মফুল। সেই খাল-বিলে চলে অতিথি পাখির জলকেলি। পাশপাশি শীতকালীন সৌন্দর্যের পরশ বুলিয়ে শিল্পী মনে দ্যোতনা জাগায় সূর্যমুখী।
পদ্মপুকুর, অতিথি পাখি এবং সূর্যমুখী ফুলের শীতের এমন আবহে সেজেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চারুকলা অনুষদ। শীতকালীন বার্তা নিয়ে বিভাগটিতে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘শীত আগমনী উৎসব-১৪২৯’।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় শীতল পাটি উন্মোচন ও কাঁথা সেলাইয়ের মাধ্যমে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক অবায়দুর রহমান প্রামাণিক।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য বলেন, ‘শীত আমার কাছে উপভোগের বিষয়। বছরের অধিকাংশ সময় আমরা গরমে পার করি। শীত অল্প সময়ের। শীতের মূল আকর্ষণ পিঠা। আমরা সারা বছর তাকিয়ে থাকি চারুকলার পিঠা উৎসবের দিকে। আজকে আমরা সেই পিঠা খাব এবং চারুকলা শিক্ষার্থীদের পিঠার যে বিভিন্ন আয়োজন তা উপভোগ করব।’
কোষাধক্ষ অধ্যাপক অবায়দুর রহমান প্রামাণিক বলেন, ‘আমাদের দেশে শীত দুই থেকে তিন মাস থাকে। এই সময়টাকে সুন্দর করার জন্য আমরা তাকিয়ে থাকি। তাকে বরণ করি, উপভোগ করি। তবে শীত সবার জন্য আনন্দের নয়, যাদের ঘর নেই, কাপড় নেই তাদের জন্য কষ্টের। ঘর, কাপড় থাকা মানুষদের জন্য শীত আনন্দের।’
বক্তব্য শেষে শিক্ষক ও অতিথিরা চারুকলা প্রাঙ্গন ঘুরে দেখেন। পরে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন তারা। এ ছাড়া এ দিন দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে চারুকলার অনুষদের শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাফিক্স ডিজাইন, কারুশিল্প ও শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এইচ এম তাহমিদুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন একই বিভাগের অধ্যাপক ড. বিলকিস বেগম। অনুষ্ঠানে চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে, ছাত্র উপদেষ্টা এম তারেক নূর, চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. আবদুস সোবহান এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।