প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৫ ১০:৪৫ এএম
আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২৫ ১০:৪৮ এএম
প্রতীকী ছবি
২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশিত হয়েছে।
রবিবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে একযোগে ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ রোল নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখতে পারবেন।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে ফল প্রকাশের পরপরই অনেক শিক্ষার্থী ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে সমস্যার মুখে পড়েন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ফল দেখতে চেষ্টা করায় সার্ভার সাময়িকভাবে ধীর হয়ে পড়েছে, যা দ্রুত স্বাভাবিক হবে।
ফলাফল দেখার ওয়েবসাইটসমূহ:
ঢাকা বোর্ড: www.dhakaeducationboard.gov.bd
কুমিল্লা বোর্ড: www.comillaboard.gov.bd
চট্টগ্রাম বোর্ড: www.bise-ctg.gov.bd
রাজশাহী বোর্ড: www.rajshahiboard.gov.bd
যশোর বোর্ড: www.jessoreboard.gov.bd
বরিশাল বোর্ড: www.barisalboard.gov.bd
সিলেট বোর্ড: www.sylhetboard.gov.bd
দিনাজপুর বোর্ড: www.dinajpureducationboard.gov.bd
ময়মনসিংহ বোর্ড: www.mymensingheducationboard.gov.bd
মাদ্রাসা বোর্ড: www.bmeb.gov.bd
কারিগরি বোর্ড: www.bteb.gov.bd
ফলাফল দেখতে এখানে ক্লিক করুন>>>
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবার ৯২ হাজার ৮৬৩ জন শিক্ষার্থী মোট ২ লাখ ২৩ হাজার ৬৬৪টি খাতার পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছেন। গত বছরের তুলনায় আবেদনকারী বেড়েছে প্রায় ২১ হাজার এবং চ্যালেঞ্জ হওয়া খাতা বেড়েছে প্রায় ৪০ হাজার।
সবচেয়ে বেশি পুনঃনিরীক্ষণ আবেদন পাওয়া বিষয়- গণিত: ৪২ হাজার ৯৩৬টি খাতা, ইংরেজি (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র), ১৯ হাজার ৬৮৮টি করে, পদার্থবিজ্ঞান: ১৬ হাজার ২৩৩টি, বাংলা (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র): ১৩ হাজার ৫৫৮টি, চারু ও কারুকলা: মাত্র ৬টি খাতা।
পুনঃনিরীক্ষণে খাতা নতুন করে মূল্যায়ন করা হয় না; বরং নম্বর যোগে ভুল, কোনো প্রশ্নের নম্বর বাদ পড়া, অথবা ওএমআর শিটে নম্বর সঠিকভাবে উঠেছে কি না—এসব যাচাই করা হয় এবং প্রয়োজনে সংশোধিত ফল প্রকাশ করা হয়।
শিক্ষা বোর্ডগুলোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে ৬ লাখ ৬৬০ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। এর মধ্যে ছাত্র ৩ লাখ ২৪ হাজার ৭১৬ জন এবং ছাত্রী ২ লাখ ৭৫ হাজার ৯৪৪ জন।