× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

এসএসসির ফল

ঢালাও পাসের হারে এবার লাগাম

হাসনাত শাহীন

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৫ ১৬:০৯ পিএম

ঢালাও পাসের হারে এবার লাগাম

বিগত দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষাগুলোর ফলাফলে ছিল রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলা। প্রতিবছরই পাসের হার আর জিপিএ-৫ আগের বছরের রেকর্ড ভাঙত। এবার ‘এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৫’-এর ফলাফলে ঢালাও পাসের হারে লাগাম পড়েছে। সেই সঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ ও শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বিগত বছরগুলোতে খাতা মূল্যায়নে ছিল উদারতার চর্চা। পরীক্ষকদের প্রতি নির্দেশনা ছিলÑ খাতায় লিখলেই যেন নম্বর দেওয়া হয়। ফলে অপ্রাসঙ্গিক উত্তর লিখলেও শিক্ষার্থীরা নম্বর পেত। ছিল সহানুভূর্তির নম্বর দেওয়ার প্রচলনও। কিন্তু এবার এসব তুলে দেওয়ায় এবং প্রশ্নের যথাযথ উত্তরের ওপর ভিত্তি করে নম্বর দেওয়ার পাশাপাশি সহানুভূতির নম্বর (গ্রেস) না দেওয়ায় এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় স্মরণকালের সবচেয়ে খারাপ ফল হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় প্রকাশিত চলতি বছরের ‘এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৫’-এর ফলাফল পর্যালোচনায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। এবার সারা দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ, গত বছর এই হার ছিল ৮৩ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ১৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এবার সারা দেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী, গত বছর ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল। গতবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ কম পেয়েছে ৪৩ হাজার ৯৭ জন।

অন্যদিকে গতবারের তুলনায় এবার শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ৯৮৪টি। এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারা দেশে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯৮৪টি, গতবার ছিল ২ হাজার ৯৬৮টি। গত বছরের তুলনায় এবার একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি- এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৮৩টি। ২০২৪ সালে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেন- এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৫১টি, এবার ১৩৪।

এদিকে এবার সারা দেশের সব শিক্ষা বোর্ড মিলে ফেল করেছে ৬ লাখ ৬৬০ জন। গত বছর করেছিল ৩ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৪ জন। সেই হিসেবে এবার গতবারের চেয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ২১৬ জন।

বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের সূত্র বলছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১০ সাল থেকে সৃজনশীল পদ্ধতি চালুর পর থেকে খাতা মূল্যায়নে উদারতার চর্চা শুরু হয়। পরীক্ষার খাতায় লিখলেই যেন নম্বর দেওয়া হয়- সেই নির্দেশনা ছিল পরীক্ষকদের প্রতি। অপ্রাসঙ্গিক উত্তর লিখলেও শিক্ষার্থীকে নম্বর দেওয়ার প্রথা ছিল। ফলে পরীক্ষার খাতা ভর্তি করে লেখার পাশাপাশি প্রশ্নের উত্তর যত বড় লেখা হতো, নম্বরও তত বেশি দেওয়া হতো বলে জানিয়েছেন একাধিক পরীক্ষক ও শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা। এছাড়া কেউ ২৭ বা ২৮ নম্বর পেলে ৩৩ করে পাস করিয়ে দেওয়া হতো। এছাড়া গ্রেড পরিবর্তনের জন্য ২ থেকে ৫ নম্বর বেশি দেওয়ারও নির্দেশনা ছিল। এ কারণে বিগত সময়ে জিপিএ-৫ ও পাসের হার বেশি থাকলেও পড়াশোনার মান নিয়ে ছিল নানা প্রশ্ন। এবার সেই ধারা থেকে বের হয়ে এসেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। কাউকে দেওয়া হয়নি কোনো সহানুভূতির নম্বর । যে যত নম্বর পাবে তাকে তত দেওয়ার নির্দেশনা ছিল বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে। 

গতকাল দুপুরে ফল প্রকাশ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয়ক কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দকার এহসানুল কবির বলেন, এবার পাসের হার বাড়ানো বা কমানোর কোনো টার্গেটই আমাদের ছিল না। এবার কোনো ধরনের বাড়তি নম্বর বা গ্রেস নম্বর কাউকে দেওয়া হয়নি। মেধার প্রকৃত মূল্যায়নের শতভাগ প্রচেষ্টা করা হয়েছে। পরীক্ষকদেরও সেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ফলে যে ফল প্রকাশ করা হয়েছে, সেটা প্রকৃত ও সত্য ফল। এ নিয়ে সন্দেহ-সংশয় ও ক্ষোভের সুযোগ নেই।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, সহানুভূতির নম্বর না দেওয়ার পাশাপাশি বরিশাল ও ময়মনসিংহ বোর্ডে খারাপ ফল এবং মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা খারাপ করায় এবার সার্বিক ফলের ওপর প্রভাব পড়েছে। চলতি বছর বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ আর ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২২ শতাংশ। গত বছর বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ১৩ শতাংশ এবং ২০২৩ সালে ৯০ দশমিক ১৮ শতাংশ। অন্যদিকে ২০২৪ সালে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮৫ শতাংশ এবং ২০২৩ সালে ৮৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এই দুই বোর্ড ছাড়াও সব বোর্ডেই গত বছরের তুলনায় কমেছে পাসের হার।

বরিশাল বোর্ডে পাসের হার কমার বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয়ক কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দকার এহসানুল কবির বলেন, বরিশাল অঞ্চলে খাল-বিলসহ প্রান্তিক এলাকা বেশি। তাই ওসব অঞ্চলের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা একটু কঠিন হয়। এছাড়া আমরা ঢাকা মহানগরের বাইরে যত উপজেলা পর্যায়ে যাব, তত পাসের হার কমতে থাকে। কারণ ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তারা ফল ভালো করার চেষ্টা করে সবসময়। তাই শহরের তুলনায় গ্রামের দিকের ফলে একটু তারতম্য ঘটে।

বরিশাল বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশে শিক্ষার একটা নতুন ধারা তৈরি হয়েছে। নতুন ধারার শিক্ষার মান কী অবস্থায় রয়েছে, আমরা সেটা জানার চেষ্টা করেছি। তাই এ বছর একটু ফল খারাপ হয়েছে। আগামীতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার মান বাড়ানোর জন্য নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শহীদুল্লাহ বলেন, সামগ্রিকভাবে পাসের হার আশানুরূপ না হলেও শিক্ষার্থীরা বিশেষ করে ছাত্রীদের ধারাবাহিক অগ্রগতি আমাদের আশাবাদী করে তুলেছে। আগামী দিনে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

একনজরে সার্বিক ফল : চলতি বছর দেশের ৩ হাজার ৭১৪টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৬ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪২৬ জন। পাস করাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৪৪৫ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৭১ দশমিক ০৩ শতাংশ। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬৫ হাজার ৪১৬ এবং ছাত্রী ৭৩ হাজার ৬১৬ জন।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ফল : দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে (ঢাকা, রাজশাহী কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ) এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৫ লাখ ৭৯ হাজার ৩১০ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১০ লাখ ৬ হাজার ৫৫৪ জন। গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এসএসসিতে পাস করাদের মধ্যে ছাত্র ৪ লাখ ৫৫ হাজার ৪৭৭ এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৫১ হাজার ৭৭ জন। পাসের হার যথাক্রমে ছাত্র ৬৫ দশমিক ১১ শতাংশ এবং ছাত্রী ৭০ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ৯টি সাধারণ বোর্ডের অধীনে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন। তাদের মধ্যে ছাত্রী ৬৬ হাজার ৭৮০ এবং ছাত্র ৫৮ হাজার ২৩৮ জন।


দাখিলে পাস ৬৮.০৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ ৯০৬৬ জন : বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৮৬ হাজার ৫৭২ জন। পাস করেছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ১১৫ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৯৬ হাজার ৯৩৫ এবং ছাত্রী ৯৮ হাজার ১৮০ জন।

দাখিলে এবার গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ। ছাত্রদের পাসের হার ৬৫ দশমিক ৮৩ এবং ছাত্রীদের ৭০ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এবার দাখিলে সারা দেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৬৬ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৪ হাজার ৮৮৭ এবং ছাত্রী ৪ হাজার ১৭৯ জন।

কারিগরিতে পাসের হার ৭৩.৬৩ শতাংশ : বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৮ হাজার ২০৪ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ১ হাজার ৭৫৭ জন। মোট পাস করাদের মধ্যে ছাত্র ৭৪ হাজার ৫৬৯ এবং ছাত্রী ২৭ হাজার ১৮৮ জন। এবার কারিগরিতে গড় পাসের হার ৭৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ। তার মধ্যে ছাত্ররা পাস করেছে ৭১ দশমিক ০৯ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৮১ দশমিক ৬২ শতাংশ। কারিগরি বোর্ডের অধীনে এবার সারা দেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৯৪৮ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ২ হাজার ২৯১ এবং ছাত্রী ২ হাজার ৬৫৭ জন।

এবারও এগিয়ে মেয়েরা : বিগত তিন বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ও পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। এ বছর ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রী ছিল ৯ লাখ ৫২ হাজার ৩৮৯ এবং ছাত্র ৯ লাখ ৫১ হাজার ৬৯৭ জন। এদের মধ্যে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৪৪৫ জন ছাত্রী ও ৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ জন ছাত্র পাস করেছে।

এ হিসাবে ছাত্রীদের পাসের হার ৭১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। অপরদিকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭৩ হাজার ৬১৬ জন ছাত্রী এবং ৬৫ হাজার ৪১৬ জন ছাত্র। এবার ছাত্রদের চেয়ে ৮ হাজার ২০০ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন : এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার এবারের ফলাফল সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. তপন কুমার বিশ্বাস বলেন, বিগত বছরগুলোতে সরকারের পক্ষ থেকে একটি ইঙ্গিত থাকত পাসের হার বাড়িয়ে দিতে। শিক্ষার্থীদের নম্বর বেশি দিতে। এ বছর সেটি ছিল না। তা ছাড়া গত বছর দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল, একই ধরনের অবস্থা ছিল করোনাকালেও। আমার মনে হয় তার কিছুটা প্রভাব শিক্ষার্থীদের ওপর পড়েছে। 

তিনি বলেন, এবারে অতিরিক্ত নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে যেহেতু কোনো ধরনের চাপ বা ইঙ্গিত সরকারের পক্ষ থেকে ছিল না, তাই যথাযথভাবেই খাতা মূল্যায়ন করা হয়েছে। আর পাসের হার কম-বেশি- এটি হতেই পারে। প্রতিবছর একই পরিমাণে পাস করবে এটা হয় না।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা