খুলনা অফিস
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৩:২৩ পিএম
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৫:১৯ পিএম
খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ছবি : সংগৃহীত
খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা পাঁচ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে এ কর্মবিরতি চলছে। এতে সকাল থেকেই রোগীরা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
খুমেক হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) সভাপতি ডা. আরাফাত হোসেন জানান, শেখ হাসিনা সরকার ম্যাটস শিক্ষার্থীদের বিএমডিসি থেকে রেজিস্ট্রেশন প্রদান শুরু করেছে- যা সম্পূর্ণ বেআইনি ও আত্মঘাতী। আমরা স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের দাবি পূরণ করা না হবে, আমরা কর্মবিরতি চালিয়ে যাব।
পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- এমবিবিএস ও বিডিএস ব্যতীত অন্যকাউকে ‘ডাক্তার’ উপাধি ব্যবহার করতে না দেওয়া ও বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন শুধুমাত্র এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারীদের প্রদান করা; উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ওটিসি ড্রাগ লিস্ট হালনাগাদ করা এবং এমবিবিএস ও বিডিএস ব্যতীত কেউ যেন ওটিসি লিস্টের বাইরে ওষুধ প্রেসক্রাইব করতে না পারে; দ্রুত ১০ হাজার নতুন চিকিৎসক নিয়োগ, প্রতিবছর ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার ডাক্তার নিয়োগ ও সরকারি চাকরিতে চিকিৎসকদের প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর করা; সকল মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) এবং মানহীন সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ বন্ধ করা এবং চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর আইন প্রণয়ন করা।
এদিকে চিকিৎসকদের কর্মবিরতির কারণে খুমেক হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে সেবার ব্যাঘাত ঘটছে। রোগী ও তাদের স্বজনরা চিকিৎসা না পেয়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মিজানুর রহমান জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জাতীয় একটি ইস্যুতে আন্দোলন করছে। তাদের দাবিগুলো যৌক্তিক। তবে আমরা রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে সহকারী রেজিস্ট্রার, অনারারি মেডিকেল অফিসার এবং মেডিকেল অফিসারদের আরও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দিয়েছি।