× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

জিপিএ-৫-এর উচ্ছ্বাস থামিয়ে দিচ্ছে পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে না পারার শঙ্কা

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর ২০২২ ০৭:৪২ এএম

আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ ১৪:৪২ পিএম

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপের শামসুল আরেফিন শাওন ও সাইফুল আরেফিন স্মরণ দুই ভাই ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন। ফল ঘোষণার পর জিপিএ-৫ পাওয়া নিয়ে বেশ উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা থাকলেও এখন তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলছে ভর্তির দুশ্চিন্তা। মহানগরীর সরকারি কলেজে ভর্তি হতে চান তারা। তবে সে সুযোগ মিলবে কি না সে বিষয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। কারণ জিপিএ-৫ পাওয়ার পরও পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে পারবেন কি না সেই শঙ্কা তাদের উচ্ছ্বাসকে কার্যত থামিয়ে দিয়েছে।

প্রতিদিনের বাংলাদেশকে শামসুল আরেফিন শাওন বলেন, ‘ভর্তি নিয়ে চিন্তায় আছি। মহানগরীর সরকারি কলেজে ভর্তি হতে চাই। পছন্দের সরকারি কলেজে ভর্তি হতে না পারলে অভিভাবকরা সন্দ্বীপের কলেজে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। এটা নিয়েই মূলত শঙ্কা। আমি চাই মহানগরীর সরকারি কলেজে পড়তে। যদি সুযোগ না পাই, তাহলে তো সন্দ্বীপেই পড়তে হবে।’

যদিও সন্দ্বীপেও একটি সরকারি কলেজ আছে। কিন্তু সেই কলেজে ভর্তি হওয়ার চেয়ে মহানগরীর কলেজকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। কেনজানতে চাইলে বলেন, ‘সেখানে শিক্ষক সংকট রয়েছে। শিক্ষার মান মহানগরীর কলেজের মানের মতো নয়। এর চেয়ে উপজেলার বেসরকারি কলেজগুলো ভালো।’

শাওন শুধু নন, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া ১৮ হাজার ৬৬৪ জনের মধ্যে বেশিরভাগের গল্পটাই এমন। মহানগরের সরকারি কলেজে শিক্ষার মানের চেয়ে উপজেলা পর্যায়ের কলেজগুলো পিছিয়ে রয়েছে। এ কারণে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য মহানগরীর সরকারি কলেজ। কিন্তু মহানগরীর সরকারি কলেজের আসন আছে ৯ হাজার ৭০০টি। আবার মহানগরীতেই জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী রয়েছেন ৯ হাজার ৯৯৭ জন।

এর মধ্যে ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত করতে মন্ত্রণালয়ে বৈঠক হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও ঘোষিত হয়নি। তবে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভর্তির ক্ষেত্রে কিছুটা প্রতিযোগিতা হলেও আসন পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হবে না।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক জাহেদুল হক বলেন, ‘মহানগরে সরকারি আট কলেজে আসন আছে ৯ হাজার ৭০০। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৩ হাজার ৪০০, মানবিকে ২ হাজার ৬৫০, ব্যবসায় শিক্ষায় ৩ হাজার ৬৫০। সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে মোট আসন ৫১ হাজার ৪৭৪। বিজ্ঞানে ১৬ হাজার ৭৫৯, মানবিকে ১৫ হাজার ৫০, ব্যবসায় শিক্ষায় ১৯ হাজার ৬৬৫।’

চট্টগ্রাম মহানগরের সরকারি কলেজগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম কলেজে ১ হাজার ৪০, হাজী মুহম্মদ মুহসীন কলেজে ১ হাজার ৭১৫, সিটি কলেজে দিবা ও নৈশ শাখায় ২ হাজার ১৮০, বাকলিয়া সরকারি কলেজে ১ হাজার ৪২৫, মহিলা কলেজে ১ হাজার ৪০০ ও কমার্স কলেজে ৯০০ আসন রয়েছে।

এর বাইরে সরকারি কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৮০ ও সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৮৪০টি আসন রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বোর্ডের পাঁচ জেলা মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮ হাজার ৬৬৪ জন। সবাই তো মহানগরে ভর্তি হবে না। এ ক্ষেত্রে কিছুটা প্রতিযোগিতা হবে। তবে আসন নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। পর্যাপ্ত আসন আছে। বেসরকারি কলেজের মধ্যেও মানসম্পন্ন আরও ভালো কলেজ আছে।’

এবারের ভর্তি প্রক্রিয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আজ মন্ত্রী মহোদয়ের সভাপতিত্বে সভা হয়েছে। সিদ্ধান্ত এখনও জানানো হয়নি। তবে আমরা একটা প্রস্তাব দিয়েছিলাম গতবারের মতো নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তি করার। যেখানে শিক্ষার্থীরা ১০টা কলেজে আবেদনের সুযোগ পাবে।’

মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সরকারি চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরী। প্রতিদিনের বাংলাদেশকে তিনি বলেন, ‘ভর্তি নীতিমালায় খুব একটা পরিবর্তন হবে বলে মনে হচ্ছে না। আবেদনের ফি হয়তো কিছুটা বাড়বে। যেহেতু নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তি হবে খুব একটা সমস্যা হবে না।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা