বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১০:৪৭ এএম
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১০:৫৫ এএম
সোমবার সকাল ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান অনশনরত ১৪ শিক্ষার্থীকে জুস পান করিয়ে অনশন ভাঙান। প্রবা ফটো
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে অনশনের প্রায় ১৯ ঘণ্টা পর উপাচার্যের আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান অনশনরত ১৪ শিক্ষার্থীকে জুস পান করিয়ে অনশন ভাঙান।
অনশনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭তম ব্যাচের মাহফুজুল ইসলাম মেঘ, ৪৮তম ব্যাচের মুয়িদ মুহাম্মদ ফাহিম, নাজিরুল ইসলাম, ৪৯তম ব্যাচের শাফায়েত মীর, নাহিদ হোসেন ইমন, ৫০তম ব্যাচের নাজমুল হোসেন লিমন, মোহাম্মদ রায়হান, গালিব হোসেন, রায়হান উদ্দিন, ৫১তম ব্যাচের নাদিয়া রহমান অন্বেষা, জাইবা জাফরিন, মেহরাব তূর্য, আল নাহিয়ান, ৫৩তম ব্যাচের মোহাম্মদ আলী চিশতি।
অনশন ভাঙার পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ৫৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আলী চিশতি বলেন, ‘প্রশাসন আমাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে নৈতিকভাবে পোষ্য কোটা বাতিলের আশ্বাস দিয়েছেন। যদি পুনরায় পোষ্য কোটা সংস্কার বা পুনর্বহাল রাখার কোনো পাঁয়তারা করা হয়, তাহলে আমরা আবার অনশনে বসব।’
এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জাবি শাখার আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, ‘প্রশাসন আমাদের সঙ্গে নীতিগত জায়গায় একমত হয়েছে। আজ বিকালে সব পক্ষের সঙ্গে বসে প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে। প্রশাসন আমাদের আশ্বাস দিয়েছে যৌক্তিক সমাধান করার। বিকাল ৩টার মিটিংয়ে আলোচনার ফলাফল দেখার শর্তে আমরা আমাদের কর্মসূচি স্থগিত করেছি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘আজ বিকাল ৩টার সভায় এ বিষয়ের সমাধান হবে। এতে শিক্ষার্থীরাও খুশি হবেন বলে আশা করছি।’
উল্লেখ্য, রবিবার বেলা ১১টার দিকে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে ভর্তি পরীক্ষায় পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে আটজন শিক্ষার্থী আমৃত্যু অনশন কর্মসূচি শুরু করেন। এরপর তাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে এ অনশন কর্মসূচির সঙ্গে যোগ দেন আরও ছয় শিক্ষার্থী।