টাঙ্গাইল প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ নভেম্বর ২০২৪ ২০:১২ পিএম
আপডেট : ২১ নভেম্বর ২০২৪ ২০:৩৪ পিএম
‘কোভিডের সময় আমাদের অনেক স্কুল বন্ধ ছিল। অনেক জায়গা আছে যেখানে মা-বাবারা চাকরি করে বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া-আসার সময়টা প্রাইমারি স্কুলের সঙ্গে তাদের সময় মিলে না। ফলে তারা অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিয়ে দেন, যেখানে বাচ্চাদের রাখার সুযোগ রয়েছে। আবার আমাদের কোনো কোনো স্কুল ভালো চলে না। আরেকটি বিষয় হচ্ছেÑ অনেক প্রাইভেট স্কুল আছে যেখানে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছাত্র সংগ্রহ করে। ফলে এসব অনেকগুলো কারণ আছে যেগুলো মিলে আল্টিমেটলি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে ফলাফল পাওয়া যায় না। তবে শিক্ষার্থীরা যে ঝরে পড়ছে বিষয়টি আমরা জানি। কীভাবে তা রোধ করা যায়, সে ব্যাপারে ব্যবস্থাও নিচ্ছি।’
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল পৌর শহরের মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।
উপদেষ্টা আরও বলেন, এখনও আমাদের নদী ভাঙনকবলিত শিশুদের ক্ষেত্রে আলাদা কোনো প্রকল্প নেই। নদী ভাঙনে যেসব অঞ্চল পড়েছে, সেসব এলাকার শিশুদের পরিসংখ্যান করার জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেব। নদী ভাঙনকবলিত এলাকার শিশুরা যাতে ঝরে না পড়ে, সে লক্ষ্যে কাজ করা হবে। যারা স্থানীয় মানুষজন আছেন তাদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির বিকল্প সমাধান হতে পারে। সেজন্য প্রস্তাব দিতে এবং সে অনুযায়ী কী ব্যবস্থা নিতে পারি, তা দেখা হবে।
এ সময় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী, টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাহাব উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহেল রানা, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তসলিমা জাহানসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা টাঙ্গাইল পৌর শহরের মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।