আবু সাঈদ হত্যা মামলা
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২৪ ১৮:৩৩ পিএম
আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৪ ১৯:৪৪ পিএম
বেরোবির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হাসিবুর রশীদ।
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নিহত আবু সাইদ হত্যা মামলায় সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাসিবুর রশীদসহ নতুন সাতজনের নাম মামলায় সম্পৃক্ত করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
মামলার প্যানেল আইনজীবী রোকনুজ্জামান রোকন জানান, আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এমন পাঁচ ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে নতুন করে তা বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করেছি। এটি দুই-তিনবার শুনানিও হয়েছে। আইনগত নানা জটিলতা পার করে এটি দাখিল করা হয়েছে এবং আদেশও হয়েছে। এ মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তাব্যক্তিরাও দায় এড়াতে পারেন না।
এর আগে গত ১৯ আগস্ট পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন, রংপুর রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি আব্দুল বাতেন, সাবেক পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, উপকমিশনার আল মারুফ হোসেন, সহকারী কমিশনার মো. আরিফুজ্জামান, আল ইমরান হোসেন, তাজহাট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায়, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির আলী ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান ও লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল, প্রক্টর অফিসের কর্মকর্তা রাফিউল হাসান, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক শামীম মাহফুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় কুমার রায়, দপ্তর সম্পাদক বাবুল হোসেনসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা ১৩০-১৩৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী।
ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি পুলিশের
সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই সৈয়দ আমির আলী এবং কনস্টেবল সুজন চন্দ্রকে
গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। এখন তারা কারাগারে আছেন।