প্রদর্শনী
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২৪ ২০:৩৩ পিএম
আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২৪ ২০:৩৮ পিএম
পাঙাশ ও তেলাপিয়া মাছের তৈরি ফিশ কাটলেট, ফিশ স্ট্রিপ, ফিশ বল, ফিশ পাউডারসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত পণ্যের মুখরোচক খাবারে তৃপ্ত প্রদর্শনীতে আসা ভোজনরসিকরা। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ চত্বরে ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের আয়োজনে মূল্য সংযোজিত মৎস্যপণ্য প্রদর্শনী-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন (আরএমটিপি) প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীতে পাঙাশ ও তেলাপিয়া মাছের কাটলেট, ফিশ স্ট্রিপ, ফিশ বল, ফিশ পাউডার, পাঙাশের সস, ফ্রোজেন ফিশ এবং কাঁচকি, টাকিসহ বিভিন্ন প্রসেসিং মাছ প্রদর্শন করা হয়। এ ছাড়া সরাসরি রান্নার উপযোগী টাকি, কই, শিং, মাগুর, ইলিশ, রুই, কাতলাসহ বিভিন্ন মাছের ফ্রোজেন পণ্য প্রদর্শন করা হয়। সাবির এগ্রো, সওদা-ই বাজার এবং আবিদ এগ্রো প্রদর্শনীতে অংশ করে।
প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহেদ রেজা, অধ্যাপক ড. ফাতেমা হক শিখাসহ মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের অর্ধশতাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী।
প্রদর্শনীর দর্শনার্থী শিক্ষার্থী আমানত বলেন, আমরা ফিশারিজের শিক্ষার্থীরা যেগুলো পড়ি, সেগুলো আজ চোখের সামনে দেখে ভালো লাগছে। কিছু আইটেম খেয়ে দেখলাম, অনেক স্বাদ হয়েছে। তেলাপিয়া ও পাঙাশ মাছ অনেক বাচ্চারা খেতে চায় না। তবে এই মুখরোচক খাবারগুলো বাচ্চারা অনেক পছন্দ করবে।
ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহেদ রেজা বলেন, এখানে যারা উদ্যোক্তারা আছেন, তারা এই মাছ প্রক্রিয়াজাত বা অর্ধ প্রক্রিয়াজাত করে এমনভাবে তৈরি করেছে, যাতে বাজার থেকে কিনে প্যাকেট খুলেই সরাসরি রান্না করা যায়। প্রদর্শনীতে সরাসরি রান্নার উপযোগী এবং সরাসরি খাওয়ার উপযোগী পণ্য রয়েছে। পুষ্টিমানের দিক থেকে মাংসের চেয়ে মাছ অধিক উন্নত মানের। বাচ্চারা কাঁটার ভয়ে অনেক সময় মাছ খেতে চায় না। তবে এখানে এই ধরনের পণ্যে কোনো কাঁটা নেই এবং খেতেও মুখরোচক তা-ই বাচ্চারাসহ সবাই সানন্দে খেতে পারবে।