বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৮:৩৮ পিএম
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৮:৫৯ পিএম
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে মূল ফটকের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। প্রবা ফটো
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে এবার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজকের মধ্যে (মঙ্গলবার) উপাচার্য নিয়োগ না দিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে মূল ফটকের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘যদি আজকের (মঙ্গলবার) মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ না দেওয়া হয় তাহলে বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।’
এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘ভিসি নিয়ে নয়ছয়, আর নয় আর নয়,’ ‘ঢাবি রাবি ভিসি পেল, চবি কেন পিছিয়ে গেল’, ‘আর নয় বিজ্ঞাপন, দিতে হবে প্রজ্ঞাপন’, ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
মানববন্ধনে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘আমরা ক্লাসে যাওয়ার জন্য মুখিয়ে আছি কিন্তু এখনও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। আমরা কি আন্দোলনই করে যাব শুধু? আমাদের সাথে এ প্রজ্ঞাপনের খেলা বন্ধ করুন। দ্রুত ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করুন।’
মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার ভিসি নিয়োগের একটি গুঞ্জন শুনা যায়। রবিবার ভিসি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন আসার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত আসেনি। আমাদের সাথে এই প্রজ্ঞাপন, প্রজ্ঞাপন খেলা বন্ধ করুন। ভিসি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এ কর্মসূচি চলবে।’
চট্টগ্রাম উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে গত ৮ সেপ্টেম্বর দুই দিনের আল্টিমেটাম দেয় শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপাচার্য নিয়োগ না দেওয়ায় গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার মূল ফটক অবরোধ করে আন্দোলন করে শিক্ষার্থীরা।
এর আগে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়ে ১০, ১১, ১২ আগস্ট পদত্যাগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবু তাহের, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা ) অধ্যাপক বেনু কুমার দে, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সেকান্দর চৌধুরী, প্রক্টরিয়াল বডি ও হলের প্রভোস্টরা। এরপর থেকে প্রশাসনিক অচলাবস্থা বিরাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয়ে।