চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৮:১০ পিএম
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৯:১৬ পিএম
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। সভার একপর্যায়ে কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহর সামনে তুমুল বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। বৈষম্যহীন রাষ্ট্র নির্মাণে শিক্ষার্থীদের করণীয় নিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী বক্তব্য ও প্রশ্নোত্তরে কথা বলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
প্রশ্নোত্তর পর্বের একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। প্রায় ১০ মিনিট ধরে চলে এই বাগ্বিতণ্ডা। হাসনাত আব্দুল্লাহ ও চট্টগ্রামের সমন্বয়রা অনেক অনুরোধ করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক রেজাউর রহমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন এবং আবারও যথারীতি চলে সভা। পরে দুপুর আড়াইটায় এই সভা শেষ হয়।
মতবিনিময় সভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘যখন বিভাজনের সময় আসে তখন আমরা এক হয়ে যাই। যেমন ৪৭’র দেশভাগের সময়, ৯০’র অভ্যুত্থানে, ২৪’র গণঅভ্যুত্থানে আমরা এক হয়ে গেছিলাম। এ সময় আমরা কাউকে জিজ্ঞেস করেনি কে সরকারি চাকরি করে, কে করে না, কে বিসিএস ক্যাডার, কে ক্যাডার না। এভাবে পৃথিবীর সবকিছুতেই ভাঙার সময় এক হয়ে যাই, কিন্তু যখন গঠনের সময় আসে তখন বিভাজন হয়ে যাই।
তিনি আরও বলেন, ২৪’র গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্টের আগে আমাদের মাঝে কোনো ধরনের বিভেদ ছিল না। যখন রাষ্ট্র সংস্কারের ও পুনর্গঠনের প্রশ্ন এসেছে তখনই বিভাজন তৈরি হয়েছে। যেমন হয়েছিল ৪৭ এর পর মাত্র ৫ বছরের ব্যবধানে। ঠিক তেমনি ৭১ সালেও।
এ সময় কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ, কেন্দ্রীয় সহসমন্বয়ক খান তালাত রাফিসহ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়করা উপস্থিত ছিলেন।