× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সাক্ষাৎকারে তালাত মাহমুদ রাফি

‘ভুয়া ও মিথ্যা সংবাদ প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ১৫ সেকেন্ডের হুঁশিয়ারিই থাকবে’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৪ ১৮:১৬ পিএম

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৪ ২০:৪৯ পিএম

খান তালাত মাহমুদ রাফি। ফাইল ফটো

খান তালাত মাহমুদ রাফি। ফাইল ফটো

কোটা সংস্কার আন্দোলনে প্রথম থেকেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী খান তালাত মাহমুদ রাফি। আন্দোলন চলাকালে পেয়েছিলেন ছাত্রত্ব বাতিলসহ জীবননাশের হুমকি। তার দুঃসাহসিক অংশগ্রহণ ছিল সবার জন্য অনুপ্রেরণার। দুঃসাহসিক এই পদযাত্রা নিয়ে প্রতিদিনের বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলেছেন রাফি। সাক্ষাৎকারে নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক মো. মাসুদ।

মাসুদ: কেমন আছেন?

রাফি: আজকে ভালো আছি। স্বাধীন ক্যাম্পাসে আসতে পেরেছি আমি।

মাসুদ: আন্দোলনের কারণে যে ক্যাম্পাসে আপনাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে সেই ক্যাম্পাসে আজকে দাঁড়িয়ে আছেন আপনার অনুভূতি কেমন?

রাফি: এটা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। আন্দোলন চলাকালীন আমার সঙ্গে যে ঘটনাটা ঘটল আমি কখনোই ভাবি নাই ক্যাম্পাসে আসতে পারব। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারব- এটি আমি কল্পনা করি নাই। তাই আমি চিন্তা করেছিলাম অন্য কোথাও গিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাব।

মাসুদ: ১৫ সেকেন্ডে গণমাধ্যমকে ফিনিস করবেন আপনার মন্তব্যটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। এই বিষয়ে আপনার ব্যাখ্যা কী?

রাফি: আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী।‌ আমাদের যে গণঅভ্যুত্থান এটি শুধু ছাত্র জনতার মুক্তির জন্য না, এটি গণমাধ্যম থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি সেক্টরের মুক্তির আন্দোলন। এখন যে বিষয়টি নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে এটির প্রেক্ষাপট বুঝতে হবে। আমরা যখন চট্টগ্রামে ব্যাক করি কিছুদিন আগে আমাদের কিছু কাজের জন্য চট্টগ্রামকে উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগরে ভাগ করি। কাজের জন্য আমরা তিনটি প্রতিনিধি দল তৈরি করি। কাজ শেষ হওয়ার কারণে দুইদিন আগে আমরা এই কমিটি স্থগিত করি। এই বিষয়ে কোনো মিডিয়াতে আমরা বক্তব্য দেইনি। কিন্তু ডেইলি ক্যাম্পাস নামে একটি মিডিয়াতে অতিরঞ্জিত করে লিখেছে যে চট্টগ্রামের সব সমন্বয় কমিটি বাতিল করেছে। একটা মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে যা জনমনে বিতর্ক সৃষ্টি করছে। ওই প্রেক্ষাপটে আমি এটি বলেছিলাম। আপনি দেখেন বাংলাদেশে এতো কিছু হয়ে গেছে তারপরও কিছু কিছু মিডিয়া ও সাংবাদিকরা এখনো মিথ্যা প্রচার করে যাচ্ছে, ভুয়া সংবাদ প্রচার করছে। জনমনে বিতর্ক তৈরি করছে, দালালি ও চাটুকারিতায় লিপ্ত আছে। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের এই অবস্থান। তাদের বিরুদ্ধে এই হুঁশিয়ারি। এটা শুধু আমাদের হুঁশিয়ারি বললে ভুল হবে, আমার মনে হয় আপনারা যারা গণমাধ্যমে আছেন যারা সংবাদ প্রচার করছেন সত্য ঘটনাগুলো মানুষের কাছে উপস্থাপন করছেন এরা আপনাদেরকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এটি আমাদের সম্মিলিত হুঁশিয়ারি। আমি আবারও বলছি এখনো যারা দালালি, চাটুকারিতা করছেন, ভুয়া ও মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছেন তাদের বিরুদ্ধে আমাদের এই হুশিয়ারি এবং সেই ১৫ সেকেন্ডের হুশিয়ারিই থাকবে।’

মাসুদ: আন্দোলনকারীদের রাজনৈতিক দল গঠন নিয়ে আলোচনা শোনা যাচ্ছে। এই বিষয়ে আপনার ভাবনা কী?

রাফি: আমরা এখন এটি নিয়ে ভাবছি না। আমরা এখন রাষ্ট্রের সংস্কার কাজে ব্যস্ত আছি।

মাসুদ: সমন্বয়হীনতার অভিযোগ তুলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচজন সমন্বয়ক পদত্যাগ করেছেন। এই বিষয়ে আপনি কী বলবেন?

রাফি: যদি এতোই সমন্বয়হীনতা থাকতো পুরো একটি বিপ্লব হয়েছে, আমাদের কার্যক্রম প্রতিনিয়ত চলমান। আমরা ব্যস্ততার মধ্যে সময় কাটাচ্ছি। এই যে এতো বড় ছাত্রজনতার অভ্যুত্থান হয়েছে, যদি সমন্বয়হীনতা থাকত তাহলে এত বড় ছাত্র জনতার অভ্যুত্থান সফল হতো না। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ৩২ জন সমন্বয়ক আছেন। চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় সত্তরের অধিক সমন্বয়ক রয়েছে এবং আরো অনেকেই কাজ করেছেন যাদের লিস্ট আমরা প্রকাশ করতে পারিনি। ভবিষ্যতে যখন সুযোগ আসবে আমরা তাদেরকে যুক্ত করব। কারণ আমাদের বলা আছে এটি প্রাথমিক তালিকা। যখন আমাদের আরও কার্যক্রম আসবে তখন আস্তে আস্তে যুক্ত করা হবে। এখানে সমন্বয়হীনতার কোনো প্রশ্নই আসে না। আমাদের বিপ্লবটা চলছে। আমরা এই বিপ্লব কেন করেছি? রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য। আমাদের গুরু দায়িত্ব কিন্তু এখনই। আমাদের কাজ কিন্তু এখন শুরু হয়েছে। বিপ্লব তখনই ব্যাহত হবে যখন রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ ব্যাহত হবে। যখন রাষ্ট্রকে আমরা সংস্কার করতে পারব না। আমাদের মূল কাজ এখন শুরু হয়েছে এখানে সমন্বয়হীনতার কিছুই নেই।

মাসুদ: চবির সমন্বয়ক ইব্রাহিম রনিকে আপনারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিলেও তিনি এখনও আপনাদের সঙ্গে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। এমনটি কেন? তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে আপনার অভিমত কী?

রাফি: ইব্রাহিম রনি নিয়ে ক্যাম্পাসে একটা বিতর্ক হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসার সঙ্গে সঙ্গে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আমরা ওনাকে বলেছি, ‘আপনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটিতে থাকবেন না।’ কিন্তু আমাদের চট্টগ্রাম জেলার একটি কমিটি রয়েছে। তিনি জেলা কমিটিতে কাজ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক কোনো কার্যক্রমে তিনি আসতে পারবেন না এটা আমরা নিশ্চিত করেছি। আর এফ রহমান হলে যাকে (দাউদ সালমান) আটক করা হয়েছে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নন। যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি হল বন্ধ, প্রত্যেকটা জায়গায় তালাবদ্ধ করা আছে সেখানে তিনি কিভাবে একটি হলে রুমে ঢুকে? সেখানে একজন অছাত্র কীভাবে হলে প্রবেশ করে? এবং তার ব্যাগে একটি পিস্তল, মাদক, চুরি, কাটার পাওয়া যায়। অস্ত্রটি আসল নকল পরের বিষয়। যেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা হলে প্রবেশ করেনি সেখানে তিনি কীভাবে এমনটি করতে পারেন? সেখানে তিনি রুমের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করেছেন। তাই আমরা অবশ্যই ধরে নিতে পারি তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাজটি করেছেন। কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছিলেন। তাই আমরা তাকে অভিযুক্ত করে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছি। এরপরের প্রশ্ন হচ্ছে অস্ত্রটি আসল নাকি নকল। তার ব্যাগে অস্ত্র কেন থাকবে? এটা নিশ্চিত সে অবশ্যই অপরাধী। না হলে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সময় সে হলে কেন ঢুকবে?

মাসুদ: আন্দোলন চলাকালীন চবি ছাত্রলীগ অভিযোগ করে আপনাকে শিবির আটক করে রেখেছে। জিম্মি করে আপনাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন বক্তব্য ও আন্দোলন চালিয়ে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। এমনকি আপনার বাবাকেও দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তখন তারা আপনাকে উদ্ধারে গোয়েন্দা সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তখন আপনি কোথায় ছিলেন? কিভাবে ছিলেন?

রাফি: আমার বাবা এসেছেন সেটা আমি নিজেও জানতাম না! ওদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। এমনকি আমাকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে সেটিও আমি জানতাম না! তাদের মাধ্যমে জেনেছি। অথচ আমার প্রত্যেকটি কার্যক্রম ও ভিডিও বার্তা ঠিকই দেশবাসীর কাছে পৌঁছে দিয়েছিলাম। আমাদের ৬ জন সমন্বয়ককে যখন ডিবি অফিসে আটক করে রাখা হয় তখন আমি ঢাকার রিফাত রশিদ, মাহিন ভাই, আব্দুল হান্নান ভাই, আব্দুল কাদের ভাই আমরা যারা পাঁচ সাতজন বাইরে ছিলাম ক্রাইসিস মোমেন্টে আমরাই আন্দোলনকে চালিয়ে নিয়ে গেছি। কিন্তু প্রথমে সাজানো হয়েছে আমাকে জোরপূর্বক বক্তব্যগুলো দেওয়ানো হচ্ছে। এটি যখন পাত্তা পায়নি তখন বলা হলো আমার বাবা এসেছেন আমাকে নেওয়ার জন্য। তখন আমি সঙ্গে সঙ্গে আমার বাবাকে কল করি। উনি বলেন, ‘আমি তো চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছি।’

মাসুদ: প্রশাসন না থাকায় চবিতে অচলাবস্থা বিরাজমান। এটি দূরীকরণে আপনারা কী পদক্ষেপ নিয়েছেন? অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শিক্ষার্থীদের দুইজন প্রতিনিধি রয়েছে আপনারা কি এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে কোনোভাবে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছেন?

রাফি: আমরা রবিবার যখন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুকী আজম স্যারের সঙ্গে বসেছিলাম আমরা ওনার সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। আমাদের প্রস্তাবনা এক নাম্বারেই ছিল যত দ্রুত সম্ভব আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন সচল করা। তিনি আমাদের সামনে আসিফ মাহমুদ ভাইকে কল দিয়েছেন‌। আমি নিজেও ওনার সঙ্গে যোগাযোগ করছি। যত দ্রুত সম্ভব প্রশাসন কার্যকর করার চেষ্টা করছি। যে সুন্দর ও গোছালো ক্যাম্পাসের স্বপ্ন আমরা এতদিন দেখেছিলাম সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে সে স্বপ্নের ক্যাম্পাস বিনির্মাণই আমাদের দায়িত্ব।

মাসুদ: সরকার পতনের পর চবি প্রশাসনের পদত্যাগসহ আপনারা পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দাবি ক্যাম্পাসের ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি উল্লেখ না থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আপনারা দেরি করলেন কেন?

রাফি: প্রশাসন এলে এটি করা হবে এমনটা বলা ছিল। এর আগেই অফিসিয়ালি আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম, বাংলাদেশের কোনো ক্যাম্পাসে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র রাজনীতি চলবে না। ছাত্রদের অধিকারের জন্য ছাত্রদের দাবি আদায়ের জন্য ছাত্র সংসদ চালু করতে হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য চাকসু চালু করতে হবে এটি আমরা দাবি জানিয়েছিলাম। এরপর প্রতিনিয়ত আমরা এটা ব্রিফ করেছিলাম। এবং আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয় কিছু শিক্ষকদের সঙ্গে বসি তখনও আমরা প্রথমেই বলি যে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারীর লেজুড়ভিত্তিক যে রাজনীতি সেটি চলবে না। সেটি বন্ধ করতে হবে।

মাসুদ: ছাত্র-জনতার প্রতি আপনার কিছু বলার আছে কিনা?

রাফি: এই যে আমার ভাইয়েরা রক্ত দিয়েছে। শহীদ হয়েছে। তাদের রক্ত যাতে আমরা বৃথা যেতে না দেই। তাদের আত্মত্যাগ আমাদের মনে রাখতে হবে। আমরা এখনও বিজয় মিছিল করিনি। কারণ আমাদের দেশকে সংস্কার করতে হবে। আপনার মনে করিয়েন না আপনাদের কাজ শেষ। এখনই গুরু দায়িত্ব শুরু হয়েছে। প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গা থেকেই কাজ করুন। যে জায়গায় দুর্নীতি আছে সেটি এখনই ভেঙ্গে দেওয়ার সময়। আপনারা যান প্রত্যেকটা সেক্টরে গিয়ে ধরেন, কেন আপনি দুর্নীতি করছেন? কেন আপনি এই অনিয়ম করছেন? সব ধরনের অনিয়ম ভেঙে দেওয়ার সময় এসেছে। আমরা ছাত্র জনতা একটি সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি। আর এটি তখনই সম্ভব যখন আমরা প্রত্যেকটা সেক্টর থেকে ফ্যাসিবাদের দোসরদের সরাতে পারব এবং অনিয়ম-দুর্নীতি দূর করতে পারব।

মাসুদ: আপনি কেমন বাংলাদেশ চান?

রাফি: বৈষম্যহীন, অন্যায়হীন, অবিচারহীন বাংলাদেশ চাই। যেখানে একজন মানুষ তার মত প্রকাশ করার স্বাধীনতা পাবে। মানুষ তার ভোটাধিকার পাবে। মানুষ স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারবে মনে কোনো ভয় থাকবে না। একজন সংবাদকর্মী সঠিক সংবাদটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারবে। ঠিক তেমনিভাবে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি সেক্টর তার নিজস্ব দায়িত্ব স্বাধীনভাবে পালন করবে আমরা সেই বাংলাদেশ চাই। এটি যখন নিশ্চিত করতে পারব তখনই আমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি সেই স্বপ্ন সত্যি হবে।

মাসুদ: এতোক্ষণ আমাকে সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

রাফি: আপনাকেও ধন্যবাদ।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা