বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২৪ ২২:৪২ পিএম
গন্ধগোকুলটির মরদেহ। প্রবা ফটো
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মীর মশাররফ হোসেন হল সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি গন্ধগোকুল উদ্ধার করা হয় গত ১ জুলাই। রাখা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্ল্ড লাইফ রেসকিউ সেন্টারে (ডব্লিউআরসি) । আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে মারা যায় প্রাণীটি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গন্ধগোকুলটি বেশ অসুস্থ ছিল। প্রাণীটির মুখ থেকে লালা ঝরা, খিচুনির ধরন, পায়ের তলা শক্ত হয়ে যাওয়াসহ আরও বেশ কিছু লক্ষণ দেখে জলাতঙ্ক (রেবিস ভাইরাস) অথবা ক্যানাইন ডিসটেম্পার (Canine distemper) হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
গত পাঁচ দিন ধরে প্রায় বিনা চিকিৎসায় পড়ে থাকতে দেখা যায় গন্ধগোকুলটিকে। এর আগে প্রাণীটিকে মুরগি এবং ডিম জাতীয় জিনিস খাওয়ানোর চেষ্টা করা হলেও তেমন একটা সফলতা পাওয়া যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেন, বন বিভাগের পরামর্শ মতো আমরা চিকিৎসা করার চেষ্টা করেছি। তারা আমাদেরকে বলেছিলেন প্রাণীটিকে সম্পূর্ণ আলাদাভাবে অন্যান্য প্রাণী থেকে দূরে রাখার জন্য। যাতে অন্যান্য প্রাণীর সংস্পর্শে না আসে এবং এ রোগ ছড়িয়ে না পড়ে। মানুষকে যদি এ প্রাণী কামড়ায়, তাহলে র্যাবিস হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তাছাড়া অন্যান্য প্রাণীর জন্যও ঝুঁকি।
তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে বেশ কিছুদিন আগে দশ-বারোটা কুকুর ক্যানাইন ডিসটেম্পার এ মারা গিয়েছিল। এটা খুবই এলার্মিং কারণ ক্যাম্পাসে যে পরিমাণ কুকুর বেড়ে গেছে সেগুলো যদি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আনা না হয় তাহলে ভবিষ্যতে ব্যাপকভাবে এ রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে।