বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৪ ২২:৫৭ পিএম
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া। সংগৃহীত ফটো
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়ার অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তে ইউজিসি গঠিত তদন্ত কমিটি ২০২০ সাল থেকে বর্তমান অবধি সব অভিযোগের বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত চেয়ে চিঠি দিয়েছে।
রবিবার (৩০ জুন) তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব গোলাম দস্তগীর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তদন্তে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে বলা হয়।
শেকৃবির নিয়োগ, টেন্ডারবাজি, একাডেমিক, প্রশাসনিক এবং আর্থিক অনিয়মসংক্রান্ত অভিযোগের এ বিষয়ে তদন্তের জন্য তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন।
তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব গোলাম দস্তগীর বলেন, ‘অভিযোগের পর কমিশন কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে। আমরা বর্তমান উপাচার্যের মেয়াদকালে উত্থাপিত অভিযোগসংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত চেয়েছি। এটি তদন্তের অংশ। উল্লিখিত তথ্য-উপাত্ত ২ জুলাইয়ের মধ্যে দিতে বলা হয়েছে।’
চিঠিতে উপাচার্য যোগদানের পর থেকে এ পর্যন্ত সব নিয়োগ এবং বোর্ডসভার কার্যবিবরণীসহ অন্যান্য তথ্যাদি চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও টেন্ডার ও আর্থিকসংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রিন হাউস নির্মাণসংক্রান্ত সব টেন্ডার ও ‘রওশন এলিভেটর লি.’কে ১০ কোটি ৪০ লাখ টাকার লিফট সরবরাহের কার্যাদেশের তথ্য চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অফিস, ল্যাব ও হলের আসবাবপত্র সরবরাহের জন্য ‘ডটস ফার্নিচার’-কে ১২ কোটি টাকার ফার্নিচার সরবরাহের কার্যাদেশ, গাড়ি প্রকল্প গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আয়-ব্যয়ের বিবরণী ও তার সরকারি বাসভবনসংক্রান্ত ব্যয় বিবরণীর তথ্য চেয়েছে তদন্ত কমিটি।
এ বিষয়ে শেকৃবি রেজিস্ট্রার শেখ রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা যাবতীয় তথ্যসহ ব্যাখ্যা দিয়েছিলাম। বর্তমানে তারা সেসব বিষয়সহ অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণক চেয়েছে। আমরা নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে তা পাঠাতে কাজ করছি।’