রাশা নোয়েল
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৩ ১৪:৪৮ পিএম
জেনিটাল
সকল ফুলের
ভেতর এইরূপ ঘ্রাণ
গভীরে মুকুর
থাকে, পুকুরের পাড়
ঘেঁষে চ’লে গেছে আজকের
মাছ
তাকে যদি দেখো
তবে লিখে দিও এই পরিমাণ
মজুদ রাখতে
হবে আসন্ন সময়ে :
সময়ের কাঁধে
দেখি ঝুলে আছে ভূত
নাপাক বস্ত্র
পরে বেজে থাকে দেহ
সতত প্রচেষ্টা
খুব, চালানোও যায়
পেস্টের নাম
করে নিষিদ্ধ তুঁত
নিষিদ্ধ তুঁত
শুধু মাছেদের চোখে
থলির মধ্যে
থাকে বিপন্ন জাল
ভাতের ডালের
সাথে তাহাদের দেখা
কদাচিৎ মিলেমেশে
কামুক বেড়াল
কাব্যরূপ
ভাষার একপ্রকার
কোষে
দীর্ঘদেহী
কতিপয় নালিকার তৎপরতা দেখা যায়।
আমাদের বৃহত্তম
সৃষ্টির মাধ্যম এই :
অপরিপক্ব ফলফলাদি
খায়টায় কেউ,
কেউ যায় পাহাড়ি
রাস্তায়, ভীষণ
গ্রীষ্মওয়ালা
কোনো শীতকাল দেখে
কেউ কেউ বসন্তের
প্রথম ভোরের নিয়তে
নামাজ-পূজা
ইত্যাদি করে।
তবু আমাদের
বৃহত্তম সৃষ্টির মাধ্যম একই থাকে।
তিল পরিমাণ
কমেডি ধাঁচের
এইরূপ পড়াশোনা
সেইম।
ভাষার একপ্রকার
কোষে
দীর্ঘদেহী
কতিপয় নালিকার তৎপরতা শুরু হলে
মানুষ জানতে পারে পৃথিবীর সন্দেহজনক কাব্যরূপ।
পরিণত সময়ের
নামলিপি
ঘাসের দেশের
সবুজ, দ্বীপ সে যখন দেখে দারুচিনি চোখের ভিতর
অমনি বুনোলতা
পৃথিবীর নদী-নালা-খাল
আস্বাদিত হয়ে
হয়ে হতে পারে বড় সরোবর
তেমনি মানুষ
চিনি, জ্যামিতির বহুকৌণিক জ্ঞান
অর্জিত হয়ে
আছে, এ বিশদ আলাপকালে
তথ্যের পুনর্ব্যবহার
আমাদের নানাবিধ কাজে
ধীরে ধীরে
পরিণত নাকি?
হাড়ের-রক্তের
গলি চেনা থাকে যদি
সহজেই ঢুকে
পড়া- পড়া- পড়াশোনা হতে পারে, হয়ে দেখি যায়Ñ
বিবিধ উপাদান
বয়ে টেনে নিয়ে যাবে এই ভরসায়
শরীরের তাপমাত্রা
আচমকা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
এ কেমন অনল?
ঘুম-স্বপ্নে গ্রাস করে তনু
এরূপ আগেকার
কথা লিপিবদ্ধ থাকে
শতবর্ষে পদার্পণ
কখনও করেনি জীবাণু?
নিখুঁত শব্দোচ্চারণ
এই : সুস্পষ্ট ইঙ্গিতসহযোগে
কাব্যের কাহিনি
বিস্তার ঘটমান বর্তমানে বর্ণনা
করবার জন্য
কতিপয় গাছপালা প্রয়োজন
অনুরূপে নিজেদের
ভাবনা মূলত দেখিÑ
করে আছে তারা
আয়োজন
অস্থির প্রমাদহীন
স্নিগ্ধ করপুটে।
আমাদের ভেতর-নদের
শুষ্ক আবাসন
নির্মাণ প্রকল্পের
অধীন ভেকতুল্য ত্বকে
লুপ্তপ্রায়
সভ্যতার বিচলিত ভাবনার মেদ
যুক্ত-বিযুক্ত
এক দীর্ঘকায় গোঁজামিল ছকে
সহজেই বিষম
দাঁড়ায়।
এর চেয়ে ভালো,
বিপরীত দ্বীপে চলে যাই
ক্লান্তপ্রাণ
সে এক, জগতের ধূসর অশোক- রোগ
দেহে দেখা
দিক, এর চেয়ে ভালো
কোনো মাছের
সাথে হোক যোগাযোগ
তথ্যের পুনর্বণ্টন
পরিণত হোক, শুভ হোক।