শামীম রেজা
প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৩ ১৭:৪৩ পিএম
অহর্নিশি ডাহুকের
ডাক…
রাতে গুরুপূর্ণিমা
তিথি
মনে হয় এ
যেন প্রথম দেখা অলকা-পরাগ
ফিরোজা-আকন্দে
বুঝে আছে অধর!
এই ভরা আষাঢ়ে
এ কেমন সুন্দরী
বেশে
এলে তুমি বিজয়নগরে
কবেকার প্রত্ন-রানি
যেন!
সংগোপনে শতকোটি
বছর
কার অপেক্ষায়
ছিলে!
কাকে প্রেমিক-গুরুজি
বলে
ডাকবে এবার
তুমি?
সে কি আমি
নাকি পরমেশ্বর...
আকাশের নীলহ্রদ
চোখ খুলে আজও
তাকায় রাতে
রানি-চেন্নার পায়ের নূপুর শব্দ বাজে দূরে
ফুঁপিয়ে কাঁদতে
দেইখাছি তোমায়
তুঙ্গভদ্রা
নদীর হৃদয়পুরে!
কোনো সব বেজন্মা
লুটেরা সুলতান
তোমার সৌন্দর্য
করতে চাইছে ম্লান!
হে মহারানি
চেন্না! নাট মন্দিরে এমন
গুরু পূর্ণিমায়,
দেবদাসীর মতো
নাচত কে কবে
বলো?
রাজা কৃষ্ণদেব
তুঙ্গভদ্রা নদীর
অন্ধকার কালো
জলে জোছনার লুটোপুটি
দেখে, মণিছেঁড়া
কান্নায়
হৃদয় ভেজাত
আনন্দমখমলে!
আমি রাজা নই,
তুমিও নও রানি
তবে এই গুরু
পূর্ণিমায় অহর্নিশি
অপর এক বিরহীডাহুকীর
ডাক শুনি
কে এই ডাহুকী!
শুনতে পাও না তুমি!
তবে তুমি কি
পরমেশ্বরী
নাকি আমার
অন্তর্যামী।