রফি হক
প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৫ ১৬:১৪ পিএম
মাত্র সপ্তাহ দুয়েক আগে দেখা হলো। উত্তরার গ্যালারি কায়াতে। স্যার বললেন, ‘রফি, তোমাকে আমি মনে মনে খুঁজতেছি। বাড়িতে এসো।’ এই একটি বাক্যই তিনি চারবার বললেন। আমাকে দেখলেই স্যারের মুখে একটা স্মিত হাসি। বললেন, ‘তোমার লেখা পড়ি, ভালো লাগে।’ ভাবি, মিসেস আইভী জামানও তাই বললেন। স্যার শিশুর মতো কথা বলছিলেন। কী যে সারল্য ছিল শিশুর মতো সেই মুখে। গ্যালারিতে লেখক, সাংবাদিক হাসনাত মোবারক ছিলেন। তার সঙ্গে স্যারের পরিচয় করিয়ে দিলাম। এবার আইভি আপাও বললেন, বাড়িতে এসো।
হামিদুজ্জামান স্যার আমার সরাসরি শিক্ষক ছিলেন না। কিন্তু আমি তার সান্নিধ্য পেয়েছি ১৯৯০-এর দশকে, আমি যখন চারুকলায় প্রিন্টমেকিংয়ে সফিউদ্দিন স্যার ও কিবরিয়া স্যারের অধীনে মাস্টার্স করছি তখন। আমি প্রিন্টমেকিং স্টুডিওতে কাজ করার সময়ও তিনি আমার কাজ দেখতে আসতেন, আমাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। আমার কাজে উৎসাহ দিতেন। সেই সময়ে শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত নবীন চারুকলা প্রদর্শনী থেকে পুরস্কার প্রিন্টমেকিংয়ে পেয়েছিলাম। স্যার খুব খুশি হয়ে আমাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। একজন অধ্যাপক ছাত্রকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে, এ রকমের একটি দৃশ্য এদেশে সাধারণত দেখা যায় না। কিন্তু হামিদুজ্জামান খান স্যার এমনটিই ছিলেন।
সেই সময়ে আমেরিকা থেকে একজন খ্যাতিমান আমেরিকান ভাস্কর এসেছিলেন, তার নাম সুজান বেন্টন। তিনি মাস্কমেকার ও পারফর্মার ছিলেন। সুজান প্রিন্টমেকিংও করতেন। সুজান বেন্টন চারুকলায় হামিদ স্যারের ডিপার্টমেন্টে একটি ওয়ার্কশপ করিয়েছিলেন। ওয়ার্কশপের ফাঁকে ফাঁকে আমার ডিপার্টমেন্টে এসে প্রিন্টমেকিংও করেছিলেন। তখন সুজানের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়। সুজান আমাকেও শেখান তার প্রিন্টমেকিং টেকনিক। আমি সুজানের সঙ্গে কাজ করি। এটা হামিদ স্যারের জন্যই হয়েছিল। আমি স্যারের কাছে খুব কৃতজ্ঞ এজন্য। পরবর্তীতে আমি আমেরিকা গেলে সুজানকে জানার আরও সুযোগ ঘটে। আমেরিকার কানেক্টিকাটে তার স্টুডিও ভিজিটের আমন্ত্রণ জানান।
পরবর্তীতে লক্ষ করেছি তিনি শুধু আমাকেই নন, তিনি তার সব ছাত্রকে উৎসাহিত করতেন, ভালোবাসতেন। একটা গুণ স্যারের ভেতর প্রবলভাবে ছিলÑ তিনি দেশের প্রতিটি শিল্পীর এগজিবিশনে যেতেন। ফলে তার সঙ্গে একজন জুনিয়র শিল্পীরও স্নিগ্ধ একটা সম্পর্ক তৈরি হতো। সবার প্রিয় ছিলেন হামিদুজ্জামান খান স্যার।
তাকে নিয়ে একজন অগ্রজ শিল্পীর অভিমতÑ ‘বাংলাদেশে ভাস্কর্য এবং স্থাপনা শিল্পে এক অভূতপূর্ব নতুন মাত্রা যোগ করেন শিল্পী হামিদুজ্জামান খান। তিনি নতুন আঙ্গিকে বিভিন্ন মাধ্যমের যথা ব্যবহারে বাংলাদেশের ভাস্কর্য শিল্পে এক অনন্য মাত্রা যোগ করেন।
আমাদের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পীদের মধ্যে তিনি অন্যতম একজন। নভেরা আহমেদের পর যাদের হাতে দেশের আধুনিক ভাস্কর্য চর্চা বিকাশ লাভ করেছে তিনি ছিলেন তাদের অন্যতম প্রধান। তার হাত ধরে ভাস্কর্য শিল্প অনেকটাই এগিয়েছে। বাংলাদেশে কলাশিল্পের নানা মাধ্যমেই সৃষ্টিকাজ করে যাওয়া অত্যন্ত দুরূহ। আর সেটা যদি হয় ভাস্কর্য শিল্পের মতো একটি মাধ্যমÑ সকল পরিপ্রেক্ষিতে তা যে কতটা কষ্টসাধ্য তা বলে বোঝানো যাবে না। আমাদের সমাজে ভাস্কর্য শিল্পের বিকাশে তিনি তার সর্বোচ্চ অবদান রাখতে পেরেছেন এটা অত্যন্ত সুখের কথা।
হামিদুজ্জামান খানের সৃষ্টিকর্মে উদ্যম ছিল তরুণের মতো। আমি তার একটি এগজিবিশন দেখেছিলাম যেখানে ভাস্কর্য এবং জলরঙের অপূর্ব সমন্বয় করেছিলেন। বিশেষ করে জলরঙগুলো একেবারেই অন্যধরনের। সেখানে আমার মনে হয়েছিল তিনি বৌদ্ধ বা জেন ফিলোসফির দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
বিশ্বের প্রাচীন ধর্মগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্ম। এই উপমহাদেশ থেকে বৌদ্ধ ধর্ম বিস্তার ও ব্যাপ্তি লাভ করে। এর শুরুটাও কিন্তু এই উপমহাদেশ থেকে। আমরা ইতিহাসের দিকে দৃষ্টিকে সম্প্রসারিত করলে জানতে পারি, ‘আনুমানিক ৫৫৬ খ্রি. পূর্বাব্দে হিমালয়ের পাদদেশে নেপালের লুম্বিনী বনে এক ক্ষত্রিয় রাজপরিবারে জন্মগ্রহণ করেন সিদ্ধার্থ। সিদ্ধার্থের জীবন থেকে এ ধর্ম উৎসারিত। তিনি কপিলাবাস্তুর ভবিষ্যৎ রাজরূপে প্রতিষ্ঠিত হলেও স্ত্রী-পুত্র-সংসার পরিত্যাগ করে সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন এবং মাত্র উনত্রিশ বছর বয়সে বিশ্বকে নতুন সত্যের সন্ধান দেন।’
ছয় বছর কঠোর সাধনার পর সিদ্ধার্থ সিদ্ধি লাভ করেন। বর্তমান বিহার রাজ্যের বৌদ্ধগয়ায় এক বোধিবৃক্ষের নিচে বসে তিনি তপস্যা করেন। ঊনপঞ্চাশ দিন ধ্যান করার পর সিদ্ধার্থ ‘নির্বাণ’ লাভ করেন। তার নির্বাণ লাভের পর তিনি জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে দীক্ষা দিতে শুরু করেন। তার চারটি পবিত্র সত্য ও অষ্টমার্গ হচ্ছেÑ
১. জীবন হচ্ছে যন্ত্রণা
২. যন্ত্রণার কারণ হচ্ছে আকাঙ্ক্ষা
৩. যন্ত্রণাকে অবশ্যই আকাঙ্ক্ষা অবদমনের মধ্য দিয়ে নিবৃত্ত করা যায়।
৪. একজন মুক্তিপ্রাপ্ত হলেই তার যন্ত্রণার উপশম হবে।
বুদ্ধ আরও বলেন, অষ্টমার্গ দ্বারাই মানুষের নির্বাণ বা মুক্তি সম্ভব। এই আটটি পথ হচ্ছেÑ
১. সৎ জ্ঞান
২. সৎ ইচ্ছা
৩. সৎ বাক্য
৪. সৎকর্ম
৫. সৎ জীবিকা
৬. সৎ প্রচেষ্টা
৭. সৎ মার্গ
৮. সৎ ধ্যান
শিল্পী হামিদুজ্জামান খান বুদ্ধের অষ্টমার্গকে ধারণায় রেখে ওই প্রদর্শনীটি আয়োজন করেছিলেন।
প্রদর্শনী উপলক্ষে প্রকাশিত brochurc-এ তিনি এই প্রদর্শনীটির নামকরণ করেছেন IN PERSUIT OF NIRVANA, স্যারের সঙ্গে কথা বলেও জেনেছিলাম তার ভেতরে বৌদ্ধ দর্শনের প্রবল আলোড়নের কথা। এ কথা ঠিক যে, ‘শিল্প একবার রচিত হয়ে গেলে, শিল্পীর জীবন-অভিজ্ঞতা বা দর্শন আমাদের আর জানার দরকার নেই। সেই বিশেষ জানাটা শিল্পকেই ক্ষুণ্ন করে। কারণ শিল্প সৃষ্টি নিজেই হয় সম্পূর্ণ, সেই সৃষ্টি আহ্বান করে শিল্পীর নয় আমাদেরই অভিজ্ঞতা ও অনুভবকে, আমরা আমাদের একমাত্র, আমাদেরই অভিজ্ঞতা ও অনুভব নিয়ে দাঁড়াই, গ্রহণ বা বর্জন করার জন্য।
রবীন্দ্রনাথের বহু পরিচিত একটি গানের প্রথম দুটি লাইনÑ ‘তুমি কেমন করে গান করো হে শুনি, আমি অবাক হয়ে শুনি।’ শিল্পী তার আরাধ্য গুণার দেখা যুদ্ধের মধ্যে পেয়েছেন। কেমন করে পেয়েছেন আর তা আঁকার জন্য শিল্পী যে চিত্রভাষা বেছে নিয়েছেন তা নিতান্তই শিল্পীর আত্মোপলব্ধির ব্যাপার। তবে এ কথা বলা যায়, ‘ধর্ম’ শব্দটাই আজকাল তার ‘ধারণশক্তি’ হারিয়ে ফেলেছে যেন। পশ্চিমের আধুনিকতা ও বিমূর্ত শিল্পের অন্যতম প্রবক্তাদের মধ্যেও ছিল ধর্ম জিজ্ঞাসার প্রবল আকুতি। মন্দ্রিয়ান বা কন্দিনিষ্ক তাদের বিমূর্ত চিত্রভঙ্গির আধারে ধর্মবোধের প্রকাশ দেখতেই চেয়েছিলেন। আজকাল স্বদেশে ও বিদেশে শিল্পকলার সঙ্গে আধ্যাত্মিকতার যোগাযোগ নিতান্তই ক্ষীণ। এই পরিপ্রেক্ষিতে হামিদুজ্জামান খানের সাম্প্রতিক শিল্পকর্মগুলোর (জলরঙ) এক স্বতন্ত্র মর্যাদা অবশ্যই প্রাপ্য।
জলরঙের প্রয়োগে শিল্পী হামিদ স্যার ছিলেন বরাবরই সিদ্ধহস্ত, এই প্রদর্শনীর ছবিগুলো তার সে সুনাম অক্ষুণ্ন রেখেছে। প্রায় ছবির পটভূমিতে গভীর কালো, গাঢ় শ্যাওলা সবুজ কিংবা সবুজ আর খয়েরি মিলেমিশে যে তৃতীয় একটি রঙ তৈরি হয়েছে, তার ভেতর থেকে উদ্ভাসিত হয়েছে গোলাকার জ্যামিতিক ফর্ম। আমাদের পরিচিত বুদ্ধের, মাথার পেছনের আলোক-চক্র (Halo)। ছবিতে Halo-কে তিনি নানা ভারসাম্যে উপস্থাপিত করেছেন। একান্ত নিজস্ব এই উপলব্ধি ছবির ভাষায় প্রকাশের যে চেষ্টা, শিল্পী করেছেন তা দর্শককে ভাবতে বাধ্য করে। কখনোবা সরাসরি ধ্যানী বুদ্ধকে উপস্থাপন করেছেন, কিন্তু তার ভেতরেও রয়েছে জ্যামিতিক ফর্মের প্রয়োগকৌশল। তার ভেতরে যেন রয়েছে অন্তগূঢ় কোনো রহস্য। যেন বুঝি একটা বৃত্ত হতে পারে সূর্য, পৃথিবী কিংবা পরিপূর্ণতার প্রতীক। কিন্তু শিল্পী কন্দিন্তি তার ক্যানভাসে একটা বৃত্ত এঁকে, সেই বৃত্তের গায়ে এঁকে বসলেন একটা ত্রিভুজ। মনে হতে পারে নিছক এই জ্যামিতিক চিহ্নে আর যাই থাকুক, শিল্প নেই। কিন্তু স্বয়ং শিল্পী বললেন যতই জ্যামিতিক হোক, এরও রয়েছে স্পন্দিত। আত্মা। ১৯১৩ সালে মালিভিচ এঁকেছিলেন সাদা জমির ওপর সাদা একটা চতুষ্কোণ।
কেন? শিল্পীর উত্তরÑ বস্তুর আধিপত্য থেকে শিল্পকে মুক্তি দেওয়ার প্রাণপণ লড়াইয়ের শেষে আমি খুঁজে পেয়েছি এই চতুষ্কোণ প্রদর্শনীতে শিল্পীর শিল্পকর্মগুলো (জলরঙ ও ভাস্কর্য) ছোট হলেও ব্যাপ্তি বড়।
হামিদুজ্জামান স্যারের ভাস্কর্যে সম্মিলন ঘটেছে নানা শৈলীর, নানা ভাবনার, তার অন্তর্গত বোধের সঙ্গে পশ্চিমী সংবেদনার। চিত্রকলা ও স্থাপত্যকলার মতো। ভাস্কর্যকলাও সভ্যতা ও সংস্কৃতির জগতে একটি প্রাচীন শিল্পমাধ্যম। আমাদের দেশে নানান কারণে ভাস্কর্যকলার উল্লেখ করার মতো প্রচার-প্রসার হয়নি। আজ আমাদের দেশে ভাস্কর্যকলা যে অবস্থানে, যতটুকু আসতে পেরেছে সেখানে আসতে সময় লেগেছে তার। নভেরা আহমেদ, আবদুর রাজ্জাক, সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ, নিতুন কুণ্ডু, হামিদুজ্জামান খানÑ এদের প্রচেষ্টায় ভাস্কর্যকলা বাংলাদেশে একটি স্বতন্ত্র শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। ১৯৮২ সালে হামিদুজ্জামান খানের প্রথম একক ভাস্কর্য প্রদর্শনীটি হয়। সে প্রদর্শনীটি দেশে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল ও আলোড়ন সৃষ্টি করতে পেরেছিল। সেই প্রদর্শনী উপলক্ষে প্রকাশিত স্মারণিকে। শিল্প-সমালোচক নজরুল ইসলাম হামিদুজ্জামান খানকে বলেছিলেন। ‘এদেশের সবচাইতে প্রতিভাবান ও পরিশ্রমী তরুণ ভাস্কর্য শিল্পী।’ এরপর কয়েকটি দশক অতিক্রান্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে সিউলে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অলিম্পিক উপলক্ষে অলিম্পিক পার্কে উন্মুক্ত স্থায়ী ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে একটি ভাস্কর্য স্থাপনের মধ্য দিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিই কেবল পাননি, সেই সঙ্গে দেশের সম্মান বৃদ্ধি করেছেন নিঃসন্দেহে।
হামিদুজ্জামান খানের উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্যের মধ্যে আছে আশুগঞ্জে সারকারখানায় ‘জাগ্রত বাংলা’, ঢাকা সেনানিবাসে ‘বিজয় কেতন’, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সংশপ্তক’, বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন প্রাঙ্গণে ‘ইউনিটি’, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে ‘ফ্রিডম’, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘স্বাধীনতা চিরন্তন’, সরকারি কর্মকমিশন প্রাঙ্গণে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী’, টিএসসিতে ‘পাখি’। বঙ্গভবনের ধাতব মাধ্যমে করা বক-পাখির কাজটি হামিদুজ্জামান খানের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্য।
হামিদুজ্জামান খান ১৯৪৬ সালের ১৬ মার্চ কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি উপজেলার সহশ্রাম গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৭ সালে চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয় থেকে চারুকলায় স্নাতক ডিগ্রি নেন। ১৯৭০ সালে তৎকালীন চারুকলার মহাবিদ্যালয়ের ভাস্কর্য বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। অধ্যাপক হিসেবে ২০১২ সালে অবসর গ্রহণের পর থেকে স্বাধীনভাবে শিল্পচর্চা করে গেছেন।
হামিদুজ্জামান খান ২০০৬ সালে শিল্পকলায় অবদানের জন্য একুশে পদক পান। এ ছাড়া দেশ-বিদেশে বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন।
স্যারের মৃত্যুতে একটা শূন্যতা তৈরি হলো। তার স্মৃতির প্রতি আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি।