× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ইমো প্রতারণায় মুদি দোকানিসহ গ্রেপ্তার ৩

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৮ মে ২০২৩ ১৮:২০ পিএম

আপডেট : ২৮ মে ২০২৩ ১৮:৩০ পিএম

ইমো প্রতারণা চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রবা ফটো

ইমো প্রতারণা চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রবা ফটো

রাজধানীতে ইমো প্রতারণা চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। গতকাল শনিবার নাটোরের লালপুর এবং রাজশাহী জেলার বাঘা এলকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার (২৮ মে) বিকালে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- ফজলে রাব্বি, রাজন আলী, রনজু আহম্মেদ।

ওসি মোহাম্মদ মহসীন জানান, প্রতারণা চক্রের সদস্যরা মানুষকে সাহায্যের নামে বিপদে ফেলে; তারপর টাকা হাতিয়ে নেয় তারা। রাজন নামে প্রতারক এলাকাবাসীর কাছে ইমো রাজন নামে পরিচিত। তিনি অভিনব উপায়ে ইমোর মাধ্যমে মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেন। তিনি বিভিন্ন নামে ইমোতে অনেকগুলো গ্রুপ খুলেন। ইমো সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য এসব গ্রুপ খুলেন তিনি। পরে এই গ্রুপে যুক্ত হওয়া কিছু সংখ্যক মানুষকে টার্গেট করেন তিনি। এরপর বিভিন্ন উপায়ে বিভিন্ন নাম্বার থেকে তার ইমোতে বিপুল পরিমাণ স্টিকার ম্যাসেজ পাঠানো হয়। এত বিপুল পরিমাণ ম্যাসেজ আসার এক পর্যায়ে ওই নাম্বার হ্যাং হয়ে যায়।

হ্যাং হওয়া ওই ব্যক্তি গ্রুপে সহযোগিতা চাইলে রাজন ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে 'সমস্যা' সমাধানের জন্য তার আইডিতে প্রবেশের অনুমতি চান। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের কাছে একটি ওটিপি যায়, ওই ওটিপির মাধ্যমে অন্যরাও একসেস পায়। ইমোতে ঢুকে রাজন সেই ইমোর সব ম্যাসেজ পড়ে নেন এবং তার আত্মীয়স্বজন সম্পর্কে তথ্য নেন। এরপর তার আত্মীয়ের কাছে 'আমি বিপদে পড়েছি, টাকা পাঠান' 'মা অসুস্থ, টাকা পাঠান' এ জাতীয় ম্যাসেজ পাঠিয়ে পাঁচ হাজার, ১০ হাজার, ১৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। তার এমন বিভিন্ন গ্রুপ আছে। তার মধ্যে রাজন স্টোরি, রাজন সলিউশন উল্লেখযোগ্য।

করেন মুদির দোকানি, সাজেন বিকাশ প্রতারক! 

পেশায় মুদি দোকানদার রনজু আহম্মেদ। কিন্তু তিনি করেন বিকাশ প্রতারণা!  দোকানে বসেই বিকাশ কর্মকর্তা সেজে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। 

একজনের নামে সিম অন্যের কাছে বিক্রি করেন ফজলে রাব্বি! 

সাধারণত সড়কের পাশে যারা সিম বিক্রি করেন তাদের কেউ কেউ বিভিন্ন অসদুপায় অবলম্বন করে মানুষের কাছ থেকে একাধিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণ করেন। পরে সেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে আরও সিম ইস্যু করেন। সেসব সিম উচ্চমূল্যে বিভিন্ন প্রতারক চক্রের কাছে বিক্রি করেন রাব্বি। সাধারণত সিমের দামের তুলনায় এগুলোর মূল্য চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি। এসব সিম দিয়েই প্রতারকরা বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করে থাকেন।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা