রাজশাহী অফিস ও চারঘাট প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৫ ১৯:২১ পিএম
আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২৫ ১৯:৪৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ একাডেমি সারদা থেকে আত্নগোপনে চলে গেছেন ডিআইজি এহসানুল্লাহ। গত বুধবার সকাল থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন বলে পুলিশ একাডেমি সূত্রে জানা গেছে। পুলিশ একাডেমির সূত্র জানায়, মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি প্রতিনিধিদল রাজশাহী জেলা পুলিশের সহায়তায় বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টে সকালে সারদা পুলিশ একাডেমিতে কর্মরত ডিআইজি এহসানউল্লাহকে আটক করতে যায়। পুলিশ কর্মকর্তা এহসানউল্লাহ বিষয়টি জানতে পেরে আগেই সেখান থেকে আত্নগোপনে চলে যান।বরিশালের সাবেক এই পুলিশ সুপার বর্তমানে পুলিশ একাডেমিতে ডিআইজি হিসাবে সাপ্লাই বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন।
পুলিশ একাডেমির পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ডিআইজি এহসানুল্লাহ গত বুধবার থেকে একাডেমিতে অনুপস্থিত । তিনি ছুটির আবেদন বৃহস্পতিবার ডাকযোগে পাঠিয়েছেন ।কিন্তু সে আবেদন গৃহীত হয়নি।তার নিখোঁজ হবার বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ একাডেমির একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ডিআইজি এহসানুল্লাহকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একটি টিম একাডেমিতে আসছেন এ খবর তিনি আগেই জেনে ফেলেন। তিনি মোটরসাইকেল যোগে একাডেমি ত্যাগ করেন ।
ডাকযোগে ছুটির আবেদন পাঠালেও তা গৃহীত হয়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সারদা পুলিশ একাডেমির পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম।
এহসানউল্লাহ বিসিএস ২০ ব্যাচের কর্মকর্তা। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, বুধবার তাঁকে আটকের জন্য ঢাকা থেকে একটি দল এসেছিল। বিষয়টি জানতে পেরে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান এহসানউল্লাহ।
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র ও সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিজস্ব তদন্ত সংস্থা আছে। সংস্থাটি তাদের মতো করে কাজ করে।