বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৫ ১৩:০০ পিএম
জোবায়েদ হোসাইন। প্রবা ফটো
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইনকে হত্যার ৪১ ঘণ্টা পর মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিন সকাল ১০টায় এ মামলা দায়ের করে জুবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত। মামলায় তিন আসামিরা হলেনÑ মাহির রহমান, বার্জিস শাবনাম বর্ষা, ফারদিন আহম্মেদ আয়লান। এছাড়া আরও অজ্ঞাত পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, মো. জোবায়েদ হোসাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করতেন। প্রতিদিনের মতো তিনি ১৯ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বংশাল থানাধীন ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের নূর বক্স লেনের ১৫ নম্বর হোল্ডিং রৌশান ভিলায় বর্ষাকে পড়ানোর জন্য যান। ওইদিন সন্ধ্যা প্রায় ৫টা ৪৮মি’র সময় ছাত্রী বর্ষা জোবায়েদ হোসেনের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট ভাই সৈকতকে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে জানায় যে, জোবায়েদ স্যার খুন হয়েছেন, কে বা কারা জোবায়েদ স্যারকে খুন করে ফেলে গেছে।
এ ঘটনার বিষয়টি ওইদিন রাত অনুমানিক ৭টার সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. কামরুল হাসান মামলার বাদী জোবায়েদের ভাইকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানান। সৈকত তার শ্যালক শরীফ মোহাম্মদকে সঙ্গে নিয়া মোটরসাইকেলে ওইদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থল রৌশান ভিলায় পৌঁছান।
সৈকত ঘটনাস্থলে গিয়ে তার পরিচিত বড় ভাই অ্যাড. ইশতিয়াক হোসাইন জিপুকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল রৌশান ভিলার নিচতলা থেকে উপরে উঠার সময় সিঁড়ি ও দেওয়ালে রক্তের দাগ দেখতে পায়। ওই ভবনের ৩য় তলার রুমের পূর্ব পাশের সিঁড়িতে নিয়ে গেলে সিঁড়ির উপর জোবায়েদের রক্তাক্ত মরদেহ উপুড় অবস্থায় দেখতে পায়।
জুবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বলেন, ‘গতকাল মানসিক অবস্থা ভালো না থাকায় আজকে মামলা করলাম। মামলায় তিনজন অভিযুক্ত ও ৪-৫ জন অজ্ঞাত আসামির নামে মামলা করেছি। আমি আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের শাস্তি চাই।’
বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, তিনজনের নামে মামলা হয়েছেÑ যাদের আগেই হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হবে।