জামিন নাকচ
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৫ ২২:৪৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আদালতে জামিন শুনানিতে এসে অঝোরে কেঁদেছেন ছাগলকাণ্ডে আলোচিত এনবিআরের সাবেক সদস্য মতিউর রহমান। এ সময় নিজেকে নির্দোষ দাবি করে জামিন চান আদালতের কাছে। তবে শেষ পর্যন্ত তার আবেদন নামঞ্জুর করে পুনরায় জেলে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
গতকাল মঙ্গলবার মতিউর ও তার স্ত্রী লায়লা কানিজকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেনের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানির শুরুতে মতিউরের আইনজীবী ওয়াহিদুজ্জামান আদালতের কাছে জামিন আবেদন করেন। কথা বলার সুযোগ পান মতিউর রহমানও। এ সময় আদালতে তিনি একটি চিঠি জমা দেন।
শুনানি শেষে আদালত মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী লায়লা কানিজের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মতিউর রহমানের আইনজীবী জানান, মতিউরকে বর্তমানে কিশোরগঞ্জ কারাগারে রাখা হয়েছে। আর তার স্ত্রী লায়লা কানিজকে রাখা হয়েছে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে। মামলার শুনানির দিন ধার্য থাকলে কারাগার থেকে তাদের আদালতে আনা হয়। কেবল আদালত কক্ষেই দুজনের মাঝেমধ্যে দেখা হয়।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মীর আহমেদ আলী সালাম বলেন, ‘ছাগলকাণ্ডের পর মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী-সন্তানদের নামে প্রচুর সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক। ইতোমধ্যে তাদের সম্পদ ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত।’
ছাগলকাণ্ড ভাইরাল হওয়ার পর গত বছরের ১৫ জানুয়ারি গ্রেপ্তার হন মতিউর ও তার স্ত্রী লায়লা কানিজ। এরপর তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত পাঁচটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি মামলা করেছে দুদক। আর অস্ত্র আইনে মতিউরের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা হয়েছে। মতিউরের প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজের ছেলে ও মেয়ে দুজনেই বিদেশে পলাতক। মতিউরের দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলীও বিদেশে পালিয়ে আছেন। তার বিরুদ্ধে দুদক মামলা করেছে। এই শাম্মী আক্তারের ছেলে মুশফিকুর রহমান। এই ছেলে গত বছরের কোরবানি ঈদে ১৫ লাখ টাকায় (প্রাথমিক দর) ‘উচ্চবংশীয়’ ছাগল কেনেন।