সিলেট অফিস
প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৫ ১৩:০৭ পিএম
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় নৌপথে চাঁদাবাজির মামলায় ‘সমন্বয়ক’ পরিচয় দেওয়া আজমল হোসেনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজমল লেগুড়া গ্রামের ফয়সল আহমদের ছেলে। তিনি নদীপথে নৌকা আটকিয়ে চাঁদাবাজি মামলার প্রধান আসামি।
আটক হওয়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন- লেগুড়া গ্রামের মৃত আ. সালামের ছেলে সুলতান আহমদ, ফজর রহমানের ছেলে বিল্লাল মেম্বার, মৃত মুসাব্বিরে ছেলে সুবহান, ফারুক আহমেদের ছেলে শাকিল, মৃত ফজু রহমানের ছেলে ফারুক মিয়া ও মৃত আ. মুসাব্বিরের ছেলে ফয়সল মৌলবী।
জানা গেছে, আজমলের নেতৃত্বে একটি দল নৌকা ও বাল্কহেড আটকে রেখে চাঁদাবাজি করে আসছিল। এ নিয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন সদর ইউনিয়নের আব্দুল হালিম নামে এক ব্যক্তি। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯ গত শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জে অভিযান চালিয়ে আজমলসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে রবিবার দুপুরে তাদের গোয়াইনঘাট থানায় হস্তান্তর করে র্যাব।
এ বিষয়ে জানতে সদ্য বিলুপ্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলার ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সালমান খুরশেদের মোবাইল ফোনের যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার মোহাম্মদ তোফায়েল আহমদ বলেন, চাাঁদাবাজির একটি মামলায় সাতজনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব-৯। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হযেছে।