নুপা আলম, কক্সবাজার
প্রকাশ : ৩১ মে ২০২৫ ০৯:২৬ এএম
মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারের সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালানের সঙ্গে বারবারই উঠে এসেছে আবদুর রহমান বদির নাম। ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে টেকনাফ-উখিয়া অঞ্চলে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন আবদুর রহমান বদি। এরপর তার ছত্রছায়ায় সীমান্ত এলাকায় গড়ে ওঠে অবৈধ কারবারের অর্ধশত সিন্ডিকেট। ইয়াবা, হুন্ডি, মানব পাচারসহ সীমান্ত পথে পণ্য চোরাচালান সবই চলত এসব সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গেলেও সেখান থেকেই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে চলেছেন তিনি।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ গোয়েন্দা সংস্থার করা একাধিক তালিকায় উঠে এসেছে বহুল আলোচিত বদির কীর্তি-কলাপ। প্রায় প্রতিটি তালিকায় ঘুরেফিরে আবদুর রহমান বদিকে এসব অপকর্মের প্রধান পৃষ্ঠাপোষক ও গডফাদার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সরকারের দায়িত্বশীল সংস্থার একটি গোপন প্রতিবেদনের সূত্র ধরে দীর্ঘ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এসব তথ্য। প্রতিবেদনটিতে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে বদির বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিত সীমান্ত উপজেলার ৩০ জনের বেশি সিন্ডিকেট সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে, যদিও তালিকাটি আরও দীর্ঘ।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর চট্টগ্রাম থেকে আবদুর রহমান বদিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি এখন কারাগারে। সিন্ডিকেট সদস্যরা কৌশলে কারাবন্দি আবদুর রহমান বদি, সিন্ডিকেটের প্রধান নিয়ন্ত্রক তারই ভাই কারাবন্দি মৌলভি মুজিবুর রহমান, আত্মগোপনে থাকা বদির ছেলে শাওন আরমানের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে এই অবৈধ কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সিন্ডিকেটের অনেক সদস্য রাতারাতি পাল্টে ফেলেছে রাজনৈতিক খোলস। তাদের অনেকেই এখন বিএনপি ও জামায়াত নেতা পরিচয় দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন চোরাচালান ও হুন্ডির কারবার।
নাটাই বদির হাতেই
কারাবন্দি বদির হাতেই রয়েছে হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচারের নিয়ন্ত্রণ। মিয়ানমারকেন্দ্রিক ইয়াবা, আইস, স্বর্ণসহ সব চোরাই পণ্যের অর্থের লেনদেন হয়ে আসছে এই হুন্ডির মাধ্যমে। বদি পরিচালিত দীর্ঘ ১৫ বছরের সিন্ডিকেটের সদস্যরা দেশ ও দেশের বাইরে অবস্থান করে এই নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছেন।
গোয়েন্দা তথ্য বলছে, গত ১৫ বছরের হুন্ডি সিন্ডিকেটের মূল নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ার মৃত মো. হোসেনের ছেলে জাফর আহমদ, যিনি টিটি জাফর নামে পরিচিত। টিটি জাফরকে সবাই বদির ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে চেনে। গত ৯ বছর ধরে টিটি জাফর আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থান করে বাংলাদেশে হুন্ডি সিন্ডিকেটের প্রধান নিয়ন্ত্রক হিসেবে রয়েছেন।
সম্প্রতি টিটি জাফর দুবাই থেকে দেশে ফিরে চট্টগ্রামের কারাগারে থাকা বদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। টেকনাফে অবস্থান করে সিন্ডিকেট সদস্যদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকও করেন তিনি।
গোয়েন্দা তথ্য ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য যাচাই করতে গিয়ে টেকনাফের অগ্রণী ব্যাংকসংলগ্ন এলাকার নিউমার্কেটে গিয়ে দেখা মেলে অভিজাত ও সুসজ্জিত একটি অফিসের। যেটিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা টিটি অফিস হিসেবে চেনেন। টিটি মানে টাকা ট্রান্সফার বা হুন্ডি। কার্যালয়টির প্রধান জাফরের বড় ভাই টেকনাফ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান। এই টিটি অফিসে দায়িত্ব পালন করেন জাফরের শ্যালক কোরবান আলী ও সিরাজ মিয়া।
টিটি জাফরের নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম শহরে আরও অফিস রয়েছে। সেটি পরিচালনা করেন তার অন্যতম সহযোগী মো. ওসমান ওরফে হুন্ডি ওসমান ও রমজান আলী। মূলত মিয়ানমারকেন্দ্রিক চোরাচালানের অর্থ পাচারের ৫০ শতাংশের বেশি রয়েছে এই সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে।
সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামানের সঙ্গে এই প্রতিবেদকের কথা হয়। তিনি বলেন, ‘আমি এলাকার জনপ্রিয় কাউন্সিলর। অনেকেই আমার ওয়ার্ড থেকে জনপ্রতিনিধি হতে চান। তাদেরই কেউ কেউ আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার ও পরিবারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটান। তেমনই একটি কুৎসা হলো, বদির সাথে আমার ভাইয়ের ব্যবসা রয়েছে। আর আমি সেই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করি। এর চেয়ে বড় মিথ্যাচার আর হতে পারে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বদির আক্রোশের শিকার হয়ে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে আমার ভাই জাফর ২০১৬ সালে দুবাই পাড়ি জমান। তখন থেকে আর কখনও দেশে আসেননি। এমনকি মা ও আমার দুই ভাই মারা গেলেও তিনি দেশে ফিরতে পারেননি। আর সেই জাফর অত্যাচারী বদির সাথে হাত মেলাবেÑ এটা কীভাবে ভাবলেন?’
বদির পারিবারিক আধিপত্যে গড়ে ওঠা হুন্ডি সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য ওমর ফারুক, যিনি সিআইপি ফারুক নামে পরিচিত। তিনি বদির সৎবোনের জামাই এবং বর্তমানে চট্টগ্রাম শহর থেকে হুন্ডি ও ইয়াবা পাচারের কাজ পরিচালনা করছেন। চট্টগ্রাম শহরে অবস্থানকারী ফারুক নিয়মিত কারাগারে বদির সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তার নির্দেশনায় অবৈধ কারবার পরিচালনা করেন।
সূত্র জানায়, ওমর ফারুকের অধীনে টেকনাফে কাজ করছেন কমপক্ষে ২০ জন। তার ভাই পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর হাফেজ এনামুল হাসান টেকনাফে অবস্থান করে এই ২০ জনকে নিয়ন্ত্রণ করেন। একসময় বদির ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত এনামুল হাসান সরকার পতনের পর থেকে নিজেকে টেকনাফ পৌর বিএনপির সহসভাপতি হিসেবে পরিচয় দেন। হয়েছেন আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদ টেকনাফ উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়কও।
এ ব্যাপারে ওমর ফারুকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। দেননি মেসেজের উত্তরও। তার ভাই এনামুল হাসানের সাথে যোগাযোগা করা হলে তিনি ব্যস্ত আছেন এবং পরে কথা বলবেন বলে জানান। এরপর তিনি ফোন ধরেননি। মোবাইল ফোনে পাঠানো মেসেজের জবাবও দেননি।
সিআইপি ফারুকের আরেক সিন্ডিকেটের প্রধান কুলালপাড়ার জাহাঙ্গীর আলম। তার চক্রের আরেক হোতা রকিবুল হাসান ও আবদুর রহমান নামের দুই ভাই। তাদের ভগ্নিপতি জাহাঙ্গীর ওই দুজনকে ব্যবহার করে বিনা বাধায় হুন্ডি কারবার নিয়ন্ত্রণ করে চলেছেন। জাহাঙ্গীর একটি সিঅ্যান্ডএফে অল্প বেতনের চাকরি করলেও বর্তমানে কুলালপাড়া ও কলেজপাড়ায় অঢল সম্পদের মালিক বনে গেছেন।
জাহাঙ্গীরের যাবতীয় কাজ করেন রকিবুল হাসান ও আবদুর রহমান। দুজনই টেকনাফ বড় মাদ্রাসা-সংলগ্ন এলাকায় একটি ফার্মেসিতে বসে হুন্ডি ব্যবসা পরিচালনা করেন। যে ফার্মেসিতে গিয়ে অল্পসংখ্যক ওষুধ দেখা গেলেও সেগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ। এর মধ্যে হুন্ডি ব্যবসায় আবদুর রহমান একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেছেন।
রকিবুল হাসান বলেন, ‘আমি ১৯৯৭ সালে টেকনাফ থেকে সপরিবারে সৌদি আরব পাড়ি জমাই। সেখানে থেকে ফিরেছি গেল বছরের আগস্টের পর। তাই আপনার তথ্যে কোথাও কোনো ভুল আছে। আপনি যে রকিবের কথা বলছেন, আমি সেই ব্যক্তি নই। বদি বা ফারুকের সাথে আমার কোনো যোগাযোগ নেইÑ আপনাকে এটা নিশ্চিত করছি। আর জাহাঙ্গীরের সাথে কোনো ব্যবসা নেই আমার।’
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমি কোনো অবৈধ ব্যবসায় জড়িত না। বদি বা তাদের সংশ্লিষ্ট কারও সাথে আমার ব্যবসা নেই। রকিবুল বা আবদুর রহমানের সাথেও কোনো ব্যবসা নেই।’
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বদির ছায়ায় আরও অনেকে হুন্ডির সাথে জড়িত ছিলেন, যারা এখনও সক্রিয়। সরেজমিন এই প্রতিবেদনের সত্যতা মিলেছে। ওইসব ব্যক্তি বিভিন্ন স্থানে অফিস খুলে চালিয়ে যাচ্ছেন হুন্ডি ব্যবসা। এর মধ্যে অন্যতম ডেইলপাড়া এলাকার ইসরাইল মোহাম্মদ আলীর ছেলে আবদুর হাই, জালিয়াপাড়ার নুর হোসেনের ছেলে মো ইয়াসিন, টেকনাফ জালিয়াপাড়ার ইসমাঈলের ছেলে মো ইব্রাহিম, দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার মৃত খুইল্যা মিয়ার ছেলে আমির আলী ওরফে বর্মাইয়া আলী, চট্টগ্রামে অবস্থানরত নাইট্যংপাড়ার আবু বক্কর, আবুল ফয়েজ, শীলবুনিয়াপাড়ার মো. রশিদের ছেলে আয়াছ ওরফে বর্মাইয়া আয়াছ, তার ছোট ভাই মো. ইয়াছের ওরফে বর্মাইয়া ইয়াছের, শীলবুনিয়াপাড়ার মো. দেলোয়ার, মো. শফিক, মো. শামসু, সৌদি আরবে অবস্থানরত নতুন পল্লানপাড়ার আব্দুল খালেক, একই পাড়ার উলা মিয়ার ছেলে শফিক উল্লাহ ও অলিয়াবাদের ডালিম (এবি ব্যাংকের নিচের বিকাশের দোকানদার)।
এছাড়া কেরুণতলী, লেঙ্গুবিল, অলিয়াবাদ এবং উত্তর লম্বরী এলাকার আরও অন্তত ১০-১২ জন স্থানীয় যুবক রয়েছে, যারা বদির পরিবারের সদস্যদের অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর।
বদির ছেলে শাওন আরমান বর্তমানে আত্মগোপনে থাকলেও তার অধীনে কারবার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন উত্তর জালিয়াপাড়া ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতা ফরিদ আলম। বদির ভাই কারাবন্দি মৌলভি মুজিবুর রহমানের দায়িত্বে রয়েছেন সৈয়দ আলম। তিনি ফরিদ আলমের ভাই এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। এই দুই ভাই বহুল আলোচিত নাফ নদের চৌধুরী পাড়াস্থ বদির গুদাম নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। এই গুদাম থেকে মিয়ানমারে পণ্য পাচারের জন্য মজুদ রাখা, ট্রলারে তুলে দেওয়ার কাজ পরিচালনা হয়ে থাকে। কারাগারে মৌলভি মুজিবুরের সাথে দুই ভাইয়ের দেখা করার তথ্যও মিলেছে।
এ ব্যাপারে বিএনপির ৭ নং ওয়ার্ড সভাপতি সৈয়দ আলম বলেন, ‘আমার সাথে বদির রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। তাই তার সাথে এক হয়ে কাজ করার প্রশ্নই ওঠে না। সামনে দলের নতুন কমিটি গঠিত হবে। এজন্য একটি মহল আমাকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে। মূলত যে গুদামের কথা বলা হচ্ছে, তা আমি বদির কাছ থেকে ভাড়া নিইনি। জায়গার মালিক হচ্ছে এজাহার মিয়ার (বদির বাবা) ওয়ারিশগণ। আমি সেই ওয়ারিশের থেকে ভাড়া নিয়েছি।’
সৈয়দ আলমের ভাই একই ওয়ার্ডের বিএনপির সহসভাপতি ফরিদ আলম। তিনি বলেন, ‘একটি কুচক্রী মহল আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতেই নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। দীর্ঘ ১৭ বছর বদি ও তার দোসররা আমাদের নানাভাবে হয়রানি করেছে। আর সেই বদির সাথে আমার ব্যবসাÑ এটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছুই নয়।’
দুজনই কারাগারে বদির ভাইয়ের সাথে দেখা করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, টেকনাফ-মিয়ানমার সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরেই মাদক পাচারের হটস্পট হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিক অবস্থান, দুর্বল সীমান্ত নিরাপত্তা এবং স্থানীয় প্রশাসনের কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত সদস্যের সহায়তায় এই এলাকা মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। নতুন করে সরকার পরিবর্তনের সুযোগে সিন্ডিকেটটি নতুন করে সংগঠিত হয়ে আরও পরিকল্পিতভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক রঙে রক্ষা চক্র সিন্ডিকেটের বর্তমান কাঠামো কিছুটা পাল্টে গেলেও বদির অনুগতরাই এখনও নিয়ন্ত্রণ করছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য
একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা জানি কারা এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু রাজনৈতিক চাপ, স্থানীয় প্রতিরোধ এবং প্রমাণের ঘাটতির কারণে আমরা তাদের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নিতে পারছি না।’
কক্সবাজারের জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ট্রাফিক মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন সময় হুন্ডি কারবারিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারও করা হয়েছে অনেককে। কিন্তু পরে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের একই কারবারে জড়িয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে নজরদারি করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিজিবির টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আশিকুর রহমান জানান, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ নজরদারির মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। মাদক ও চোরাচালানের টাকা হুন্ডির মাধ্যমে পাচারের তথ্য রয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করতে বিজিবি মাঠপর্যায়ে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এদের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।