চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৪ ২২:২৫ পিএম
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ চেম্বার কার্যালয়ে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির পরিচালকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ। প্রবা ফটো
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির অফুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম আগামী অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস এক্সপোর আয়োজন করছে বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের পরিচালক মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান।
এক্সপোতে আরএমজি, টেক্সটাইল, লেদার, ফুটওয়্যার, পাটজাতপণ্য, ফার্মাসিউটিক্যালস, আইটি, রিসাইক্লে প্রোডাক্টস, ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমসহ দেড় শতাধিক স্টল অংশগ্রহণ করবে। এতে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ পাবেন যা রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে তিনি জানান।
রবিবার (২৬ মে) ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ চেম্বার কার্যালয়ে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির পরিচালকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য প্রতিনিধিদল। সেখানে লুৎফুর রহমান এসব কথা জানান।
বৈঠকে চেম্বার সহ-সভাপতি রাইসা মাহবুব, ওকলে শিপিংয়ের রিচার্ড ওকলে, অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের পরিচালক মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান, চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ ও সেক্রেটারী ইনচার্জ প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারুক উপস্থিত ছিলেন।
ওকলে শিপিংয়ের প্রতিনিধি রিচার্ড ওকলে বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক জাহাজের অনেক চাহিদা রয়েছে। আবার অস্ট্রেলিয়াও শিপবিল্ডিং সেক্টর উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। এছাড়াও নদীমাতৃক বাংলাদেশেও রয়েছে শিপবিল্ডিংয়ের চাহিদা। তাই এ সেক্টরের সম্ভাবনা নিয়ে আগ্রহী অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগকারীরা।’
চেম্বার নেতারা বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম অর্থনীতির দেশ। অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পাদুকা, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যও রপ্তানি হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছোট ছোট জাহাজ রপ্তানি হচ্ছে। ফলে শিপ বিল্ডিং সেক্টরে যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে দেশে-বিদেশে বিনিয়োগের। নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সুবিধা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ কাজে লাগিয়ে শিপবিল্ডিং, ব্লু ইকোনমিসহ রপ্তানিমূখী বিভিন্ন সেক্টরে অস্ট্রেলিয়ান বিনিয়োগকারীদের আহবান জানান।