ভারতে এমপি আনার হত্যা
টাঙ্গাইল প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ মে ২০২৪ ২০:৩১ পিএম
আপডেট : ২৫ মে ২০২৪ ২০:৪২ পিএম
সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার সেলেস্তি রহমানের দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম মিয়া। প্রবা ফটো
ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যার সঙ্গে সেলেস্তি রহমান যদি সত্যিই জড়িত থাকেন তাহলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন সেলেস্তির দাদার ছোট ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম মিয়া।
শনিবার (২৫ মে) দুপুরে সেলেস্তি রহমানের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ধবুরিয়া ইউনিয়নের পাইসানায় গিয়ে দেখা যায়, পুরো বাড়ি ফাঁকা। টিনের ঘরে তালা ঝুলছে। এ সময় পাশের ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন সেলিম মিয়া।
তিনি বলেন, ‘আমার বড় ভাইয়ের বড় ছেলে আরিফুর রহমান। তার দুইটা মেয়ে রয়েছে। সেলেস্তি সবার বড়। আরিফুর রহমান জুট ব্যবসায়ী। ছোটবেলা থেকে তারা ঢাকার উত্তরায় বসবাস করে। মাঝেমধ্যে গ্রামের বাড়িতে এলেও দুয়েক দিন পর আবার চলে যায়। দুই বছর আগে গ্রামের বাড়ি এসেছিল, তখন দেখা হয়েছিল। সেলেস্তির চলাফেরা উচ্ছৃঙ্খল প্রকৃতির হওয়ায় এবং বাড়ির বাইরে দিনের পর দিন সময় কাটানোর কারণে তার সঙ্গে কথা বলা বাদ দেই আমি ও আমার পরিবারের লোকজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছি সেলেস্তি আসামি। যদি আসলে হত্যায় জড়িত থাকে, তাহলে তদন্তসাপেক্ষে সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করছি।’
এ ব্যাপারে নাগরপুরের ধুবরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান খান বলেন, ‘তারা অনেক আগে থেকেই ঢাকায় থাকে। কেউ সঠিকভাবে বলতেও পারে না যে সেলেস্তি কোথাকার। এখন আমরা জানতে পারলাম যে তার বাড়ি নাগরপুরে। শুক্রবার পর্যন্ত বিষয়টি জানতাম না।’
নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘সেলেস্তি নামের মেয়েটি নাগরপুরের, এমন কোনো তথ্য এখনও পাইনি। তার বিষয়েও আর কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত আমার কাছে নেই। জানলে জানাতে পারব।’
১৩ মে কলকাতায় আনোয়ারুল আজিমকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার সেলেস্তি রহমানসহ তিন আসামি আট দিনের রিমান্ডে রয়েছেন। অন্য দুই আসামি হলেন, আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া ও তানভীর ভূঁইয়া।
আদালতে সেলেস্তি বলেছেন, তিনি শুধু হত্যা সংঘটিত হওয়া কলকাতার ওই বাসায় ছিলেন। এ ছাড়া কিছু জানেন না।