শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ মে ২০২৪ ২৩:০১ পিএম
নিহত কলেজছাত্র ফরিদ আহম্মেদ। প্রবা ফটো
গাজীপুরের শ্রীপুরে ঝুট ব্যবসা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে কলেজছাত্র ফরিদ আহম্মেদ নিহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তিনি শ্রীপুর পৌরসভার উজিলাব গ্রামের মোস্তফার ছেলে ও শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজের সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
গত মঙ্গলবার রাত ৮টায় শ্রীপুর পৌরসভার মাওনা (মাটির মসজিদ) এএসআর কারখানার সামনে হামলার ঘটনা ঘটে। পরে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত পৌনে ১০টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাজমুল হুদা জানান, নিহত ফরিদ আহম্মেদের বাম চোখে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন ছিল। বাম কাঁধে গুলির মতো ছিদ্র রয়েছে। তবে এটি গুলির ছিদ্র কিনা, তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।
গতকাল বুধবার শ্রীপুর থানার ওসি আকবর আলী খান জানান, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহত ফরিদের চাচা জলিল মাস্টার বলেন, ঝুট ব্যবসা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। বিকালে ফরিদের কয়েকজন বন্ধু তার বাড়িতে বেড়াতে আসে। সন্ধ্যার পর তাদের এগিয়ে দিতে যাওয়ার সময় ওই এলাকার মামুন ফকিরসহ স্থানীয় কয়েকজন তাকে ধাওয়া করে। এতে দৌড় দিতে গিয়ে পড়ে যায় ফরিদ। এ সময় মামুন ফকির তার সঙ্গে থাকা শাকিব, মারুফ, মাহফুজ, তার বাবা আতাউল্লাহ, শামীম, আকাশসহ ২০-৩০ জনকে তাকে মেরে ফেলার নের্দেশ দেন। এ সময় তারা ফরিদকে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। পরে আতাউর রহমানের ছেলে শাকিব ফরিদকে গুলি করে। শাকিব দুই দিন আগে জেল থেকে বের হয়ে এলাকায় আসে। সে মামুন ফকিরের লোক।