চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৪ ২১:৩৫ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সৈকতে দাঁড়ালে একসময় শুধু চোখে পড়ত বিশাল সমুদ্র। তবে দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের কারণে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সৈকতের আগের সেই সৌন্দর্য আর নেই। এবার সৈকতটির হারানো সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ঈদুল আজহার আগে সৈকতের মুখে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করবে তারা। এক্ষেত্রে সৈকত ঘিরে অবৈধভাবে অবস্থান করা ব্যবসায়ীদের তালিকা করেছে সংস্থাটি। এসব ব্যবসায়ীদের সৈকত থেকে সরিয়ে রাস্তার অন্যপাশে স্থানান্তর করে দোকান বরাদ্দ দিবে জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন পর্যটক ও ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাকিব হাসান বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে সৈকতের মুখে যারা ব্যবসা করছে তাদেরকে সরিয়ে দিয়ে রাস্তার অন্যপাশে স্থানন্তর করা হবে। সৈকতের মুখে এমন ব্যবসায়ী আছেন ৩২ জন। তবে পর্যায়ক্রমে সব ব্যবসায়ীকে সৈকত থেকে তুলে রাস্তার অন্যপাশে স্থানান্তর করা হবে।
জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আবদুল মালেক বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে পর্যটকরা আসে। কিন্তু অবৈধ দোকানপাটের কারণে বীচের সৌন্দর্য দেখা যায় না। তাই বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সমুদ্র পাড় থেকে দোকানগুলোকে তুলে রাস্তার অন্যপাশে স্থানান্তর করতে হবে। প্রতিটি দোকানের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাপ ও ডিজাইন দিয়ে দোকান নির্মাণ করা হবে। এছাড়া বীচের সামনে যারা বিভিন্ন দোকান করে ব্যবসা করছে, তাদের তালিকা করছি আমরা। সেই তালিকা অনুযায়ী দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন ঈদুল আযহার আগেই কাজ শুরু করবো আমরা। সৈকতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত বাতি স্থাপন ও শৌচাগার নির্মাণসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বীচ এলাকায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য ইউনিফর্মধারী সেবক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বীচ সংশ্লিষ্ট এলাকায় যথাযথ সেবা প্রদানের জন্য গাড়ি পার্কিং, বিভিন্ন সেবাগুলোকে জোন ভিত্তিতে ভাগ করা হবে। এতে সৈকতের সৌন্দর্য আরও বহুগুণে বেড়ে যাবে।