× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

উপজেলা নির্বাচন

বিএনপির ভোটেই জয় পরাজয়

শরীফ স্বাধীন, মাগুরা

প্রকাশ : ২০ মে ২০২৪ ১১:৫১ এএম

বিএনপির ভোটেই জয় পরাজয়

দ্বিতীয় ধাপে মঙ্গলবার (২১ মে) অনুষ্ঠিত হবে মাগুরার মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। মহম্মদপুর উপজেলায় প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা থাকলেও শালিখা উপজেলার নির্বাচন অনেকটা নিরুত্তাপ। দুই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ১২ জন প্রার্থীর সবাই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

মহম্মদপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচন করলেও ভোটের মাঠে আলোচনায় রয়েছেন দুজন। তারা হলেন- অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান (আনারস) ও মো. কবিরুজ্জামান কবির (শালিক)। 

আব্দুল মান্নান ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে এসে বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি ২০১৮ সালে উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান। তিনি মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখরের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। অন্য প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. কবিরুজ্জামান কবির ব্যবসার কারণে অধিকাংশ সময় ঢাকায় অবস্থান করেন। তিনি মহম্মদপুর ও শালিখা নিয়ে গঠিত মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য বীরেন শিকদারের আশীর্বাদপুষ্ট বলে জানান স্থানীয়রা। এ ছাড়া মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের বাবা মাশরুর রেজার পছন্দের প্রার্থীও তিনি। প্রকৃতপক্ষে এই দুই প্রার্থীর মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে জানান উপজেলার নির্বাচন বিশ্লেষকরা। 

দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আব্দুল মান্নানকে ঘিরে উপজেলা আওয়ামী লীগসহ অঙ্গসংগঠনের মধ্যে তেমন একটা বিভেদ নেই। তিনি মাঠপর্যায়ের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় ৮টি ইউনিয়নে অবস্থান ভালো। তবে আওয়ামী লীগের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীসহ বিএনপির বড় একটি অংশ মো. কবিরুজ্জামানের পক্ষে কাজ করছে। দলীয় প্রতীক না থাকায় কবিরুজ্জামানের পক্ষে এসব ভোট যাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাই জয়-পরাজয় নির্ভর করছে বিএনপিসহ এসব ভোটারদের ওপর।

আব্দুল মান্নান বলেন, অবাধ এবং নিরপেক্ষ ভোট হবে বলে প্রশাসন নিশ্চিত করেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ঢাকায় থাকেন। নির্বাচন শেষে তিনি চলে যাবেন। তাই ভোটাররা আমাকেই বেছে নেবেন বলে বিশ্বাস। 

মো. কবিরুজ্জামান বলেন, নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নেই। আমার প্রচার-প্রচারণায় সব দলের অংশগ্রহণ দেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ঈর্ষান্বিত হয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তিনি নিশ্চিত পরাজয় জেনেই এসব করছেন। 

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ৩৬২ জন। ৬৪টি কেন্দ্রের ৪৬৫ ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ করা হবে। 

অপরদিকে শালিখা উপজেলায় তিনজন চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রেজাউল ইসলাম (মোটরসাইকেল) ও শ্যামল কুমার দের (আনারস) মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রেজাউল ইসলাম সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখরের আস্থাভাজন। তিনি নব্বই দশকে আড়পাড়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতির ছিলেন। বর্তমানে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান। অন্যদিকে শ্যামল কুমার বর্তমান সংসদ সদস্য বীরেন শিকদারের অনুসারী। তিনি পূর্বে উপজেলা চেয়াম্যান ছিলেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থীর কাছে হেরে যান। 

দলীয় নেতাকর্মী এবং ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভক্তি রয়েছে। এই বিভক্তির পেছনে সাবেক এবং বর্তমান সংসদ সদস্যদের ভূমিকা অন্যতম। দলের বিভক্তি হওয়া দুইটি গ্রুপ দুজনের পক্ষে কাজ করছে। তাই দলীয় প্রতীক না থাকায় অন্যান্য দলের ভোটারদের ওপর নির্ভর করছে জয়-পরাজয়।

শ্যামল কুমার দে বলেন, জনগণ আমার সঙ্গে আছে। প্রতিপক্ষ প্রার্থী ভোটারদের মাঝে ভুল বার্তা ছড়াচ্ছেন। বক্তব্যের জন্য রেজাউল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাড়া দেননি।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ২৫৫ ভোটার রয়েছে। ৫৪টি কেন্দ্রের ৩৮৫ ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ করা হবে।



শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা