নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় যুবকের মৃত্যু
গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৪ ২০:৩৮ পিএম
আপডেট : ১৯ মে ২০২৪ ২১:২৬ পিএম
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষুব্ধরা। প্রবা ফটো
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ওয়াসিকুর ভূঁইয়া নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় হওয়া মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনা ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় ঘেরাও করেছেন স্থানীয়রা।
রবিবার (১৯ মে) দুপুর ১২টার দিকে সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ থেকে ‘সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল বের করে তারা জেলা প্রশাসক অভিমুখে রওনা হন। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন বিক্ষুব্ধরা।
দুপুর ১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ভি.এম লিয়াকত আলী। তিনি জেলা প্রশাসককে নিজেদের দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন। দাবি আদায় না হলে নতুন কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
গত মঙ্গলবার রাতে চন্দ্রদিঘলিয়া বাজারে চা-সিগারেট খাওয়া নিয়ে জয়ী উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুলের সমর্থক চয়ন ভূঁইয়া ও পরাজিত প্রার্থী বি এম লিয়াকত আলীর সমর্থক সবেদ আলী ভূঁইয়ার সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। পরে সংঘর্ষ চলাকালে তিনজন গুলিবিদ্ধসহ ১৫ জন আহত হয়। রাত সোয়া ৯টার দিকে গোপালগঞ্জ হাসপাতালে ওয়াসিকুরকে চিকিৎসক জুয়েল সরকার মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় গত ১৬ ও ১৭ মে দুই দফা মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করেন স্থানীয়রা। এ ছাড়া স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপদেষ্টা, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুলকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন নিহতের বোন পারুল বেগম।
জানতে চাইলে গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনিছুর রহমান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।