মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৪ ১৯:২০ পিএম
আপডেট : ১৮ মে ২০২৪ ২০:১৬ পিএম
প্রতীকী ছবি
কুমিল্লা মেঘনা উপজেলায় একটি বেসরকারি ‘সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট (সিসিডিএ)’ এনজিও কোম্পানির লোন অফিসার সান্তনা আক্তার নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। পরে পুলিশ মরদেহটি বিকাল ৪টার দিকে থানায় নিয়ে আসে।
মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সান্তনা আক্তার একই জেলার মুরাদনগর থানার যাত্রাপুর ইউনিয়নের মোচাগাড়া গ্রামের মৃত নূরুল ইসলামের মেয়ে।
জানা যায়, উপজেলার মানিকারচর ইউনিয়নের মাতাবেরকান্দি গ্রামের মোড়ে অবস্থিত এনজিও অফিসটি। তার পাশের রুমে আবাসিক থাকতেন সান্তনা আক্তার ও খাদিজা আক্তার। তবে রুমমেট খাদিজা আক্তার শুক্রবার ছুটিতে গেলে এ সুযোগে সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল আজিজ মিয়া বলেন, ‘আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আমরা খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। তার লোকজন আসতে দেরি হওয়ায় আমরা লাশসহ তার ব্যবহৃত স্মার্ট ফোন ও বাটন ফোন উদ্ধার করে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে থানায় নিয়ে আসি। মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি।’
এনজিওর ম্যানেজার আবু কাউসার বলেন, শুক্রবার তার সাপ্তাহিক ছুটি ছিল। আজকে অফিসে আসতে দেরি হওয়ায় আমি তার বাসায় লোক পাঠাই। তার রুমে কোনো সাড়া-শব্দ না পাওয়ায় রুমের দরজা দিয়ে আমার কলিগ উঁকি দিয়ে দেখে ফ্যানের সঙ্গে মরদেহ ঝুলছে। পরে আমি সঙ্গে সঙ্গে থানায় গিয়ে পুলিশকে খবর দেই।
তিনি আরও বলেন, সান্তনা আক্তার একজন ভালো কর্মী ছিলেন। কী কারণে সে আত্মহত্যা করেছে কিছুই বুঝতে পারছি না। তাকে অফিসের কাজেও কোনোরকম চাপ সৃষ্টি করা হয়নি। তিনি আমার অফিসে প্রায় এক বছর যাবৎ নিয়মিত চাকরি করে যাচ্ছেন।
নিহতের মা মিনু বেগম বলেন, আমার মেয়ে কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়নি। অফিসের স্যাররাও খুব আদর করত। মেয়ের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।
ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা রুমের দরজা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।’