যশোর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৪ ১৮:৫৩ পিএম
আপডেট : ১৬ মে ২০২৪ ২০:০২ পিএম
থানায় আটকে রেখে চাঁদা দাবি এবং ক্রসফায়ারের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে যশোরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহির হাসান ও কেশবপুর উপজেলার সদ্যনির্বাচিত চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান মফিজের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে।
বুধবার (১৫ মে) দুপুরে যশোর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন জেলার কেশবপুরের মধ্যকুল গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম।
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সালমান আহম্মেদ শুভ মামলাটি আমলে নিয়ে যশোর পুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ফিরোজ হক।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, জাহাঙ্গীর আলম একজন ঘের ব্যবসায়ী। তিনি ২০২৪ সালের ২১ জানুয়ারি মধ্যকুল মৌজায় ৪৫০ বিঘা জমি ২১৪ জন মালিকের কাছ থেকে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা চুক্তিতে পাঁচ বছরের জন্য লিজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছেন। ওই জমির গা ঘেঁষে মফিজুর একশ কৃষকের কাছ থেকে তাদের জমি লিজ নিয়ে ঘের করার জন্য চুক্তি করেন।
গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মফিজ ও তার সহযোগী আসাদ বাদী জাহাঙ্গীরের লিজ নেওয়া জমি তাদের কাছে হস্তান্তরের জন্য হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন। এ নিয়ে বাদী কেশবপুর থানায় জিডি করতে গেলে থানা তা গ্রহণ করেনি। সর্বশেষ ১ মে থানার পুলিশ কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম ও আবুল হোসেন জোর করে জাহাঙ্গীরকে বাড়ি থেকে থানায় ওসির রুমে নিয়ে যান।
এ সময় ওসি জহির বাদীকে তার জমি মফিজ ও আসাদকে হস্তান্তর করতে বলেন। অন্যথায় হত্যা করে ক্রসফায়ারের নামে চালিয়ে দেওয়ার কথা জানান। শেষমেশ তাকে ধাক্কা মেরে থানা থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে বাদী মামলায় উল্লেখ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে মফিজুর রহমানকে কয়েক দফা ফোন দেওয়া হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিয়ে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহির আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘এসব অভিযোগের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে আমার বিরুদ্ধে যদি কেউ অভিযোগ করে থাকে সেটি ভুয়া ও মিথ্যা।’