× ই-পেপার প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি ফিচার চট্টগ্রাম ভিডিও সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মাগুরার লিচুর চাহিদা দেশজুড়ে

মাগুরা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৪ ১০:৪০ এএম

আপডেট : ১৬ মে ২০২৪ ১০:৫৪ এএম

মাগুরা সদর উপজেলার ইছাখাদা গ্রামের লিচুবাগানে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা। প্রবা ফটো

মাগুরা সদর উপজেলার ইছাখাদা গ্রামের লিচুবাগানে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা। প্রবা ফটো

এ বছর তাপদাহ উপেক্ষা করে লিচুবাগানে ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। চাষিদের কাছ থেকে অগ্রিম কিনে নেওয়া বাগানে চলছে লিচু সংগ্রহের কাজ। আর এ কাজে শ্রমের বিনিময়ে পারিশ্রমিক পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন এলাকার খেটে খাওয়া নারী-পুরুষরা।

মাগুরার লিচু আগাম পাক ধরায় চাহিদা রয়েছে ব্যবসায়ীদের কাছে। ফলে বাজারজাত করছেন রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায়।

সরেজমিন দেখা যায়, মাগুরা-ঝিনাইদহ সড়কের দুই ধারে সারি সারি গাছে ঝুলে আছে লাল রঙের লিচু। আর এ মনোরম দৃশ্য দেখতে ব্যক্তিগত গাড়ি এবং পরিবহন যাত্রীরা বাগান ঘুরে কিনছেন পছন্দের লিচু। লিচুপল্লী হিসেবে পরিচিত সদর উপজেলার হাজিপুর, হাজরাপুর, রাঘবদাইড় ইউনিয়নে বাণিজ্যিকভাবে লিচু উৎপাদন হয়ে থাকে। এ বছর তাপদাহের কারণে গাছের লিচু কিছুটা ঝরে যাওয়ায় চাহিদার তুলনায় সংকট হবে এমনটাই জানালেন ব্যবসায়ীরা। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার দিগুণ দামে কেনাবেচা হচ্ছে লিচু।

হাজরাপুর, হাজিপুর, মিঠাপুর, সাঁইত্রিশ, খালিমপুর, মির্জাপুর, বীরপুর, রাউতড়া, আলাইপুর, নড়িহাটিসহ ৩৭টি গ্রামে এখন চলছে লিচুর মৌসুম। এ ছাড়া গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে মোজাফ্ফর, বোম্বাই, চাইনা-৩ জাতের লাল রঙের রসালো লিচু। লিচুবাগানে ব্যস্ত রয়েছে এলাকার নারী-পুরুষরা। গাছ থেকে ভেঙে আনা লিচু হাতে বাছাই করছেন শ্রমিকরা। সেগুলো আবার ক্রেট ও ডোপে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে দূরপাল্লার ট্রাকে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলায় এ বছর ৬৬৫ হেক্টর জমিতে লিচু উৎপাদন হচ্ছে। এখান থেকে ৬৫০ মেট্রিক টন লিচু উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে; যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা।

নড়িহাটি গ্রামের মিনা রানী বলেন, ‘সংসারের পাশাপাশি লিচু মৌসুমে এ কাজের সুযোগ হয়। এখানে কাজ করে দিনে ৪০০ টাকা আয় হয়। এ টাকায় আমার দুই ছেলেমেয়ের সারা বছরের লেখাপড়ার খরচ উঠে আসে। এ উপার্জন দিয়ে সন্তানদের স্কুলের বেতন ও বই খাতা কিনে দিতে পারি।’

ইছাখাদা গ্রামের লিচু চাষি নাছির খন্দকার বলেন, ‘তাপদাহের কারণে এবার ৩০-৩৫ শতাংশ লিচুর গুটি ঝরে গেছে। তার পরও ফসলের তুলনায় ফল চাষে লাভ বেশি। লিচু চাষ অপেক্ষাকৃত লাভজনক এবং খরচ কম। বর্তমানে অনেক চাষি পরিবার আছে যারা লিচু বিক্রির টাকায় করেছেন বাড়ি, কিনেছেন জমি।’

কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী হামিদুর রহমান বলেন, ‘মাগুরার লিচু আগেভাগে ছেঁড়া যায়। ফলে ঢাকাসহ বিাভন্ন জেলায় এর চাহিদা রয়েছে। এ বছর ১১টি বাগান ১৫ লাখ টাকায় কিনেছি। পাইকারি বাজারে ১ হাজার লিচু ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হবে।’

নোয়াখালী থেকে আসা লিচু ব্যবসায়ী নিখিল দাস বলেন, ‘আমি প্রতি বছর এখানকার লিচু কিনে নিজ জেলায় বিক্রি করি। গত বছর ১ হাজার লিচু ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় কিনেছি। এ বছর অতিগরমে লিচুর গুটি ঝরে যাওয়ায় ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০১৭১২০৩৩৭১৫ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা