উপজেলা নির্বাচন
প্রবা প্রতিবেদক, বরিশাল
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৪ ১৭:০৫ পিএম
আপডেট : ১৪ মে ২০২৪ ১৭:৫৮ পিএম
বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) পঙ্কজ নাথের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গে ব্যবস্থা গ্রহণসহ হিজলা উপজেলার এক প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের জন্য সহকারী রিটানিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছে ওই উপজেলার আর এক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী।
সোমবার (১৩ মে) বিকালে হিজলা উপজেলার ঘোড়া প্রতীকের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলতাফ মাহমুদ দিপু এ আবেদন করেন। আবেদনের অনুলিপি প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনের সচিব ও রিটানিং কর্মকর্তা বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
লিখিত অভিযোগে চেয়ারম্যান প্রার্থী আলতাফ মাহমুদ দিপু উল্লেখ করেছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথ গত ১০ মে হিজলা উপজেলার হরিনাথপুর ছয়গাও বাজারে চিংড়ি প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম রাজু ঢালীর উঠান বৈঠকে অংশ নেয়। এ বৈঠকে হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন, মেমানিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. নাসিরউদ্দিন ও হরিনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তৌফিক রহমানের উপস্থিতিতে এমপি পঙ্কজ নাথ জঘন্য মিথ্যাচার করেছে। এ সময় তিনি চিংড়ি প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে বিভিন্ন যুক্তি দিয়ে ভোট দিতে বলেছেন। যে কারণে পুরো হিজলা উপজেলায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। নির্বাচনকে প্রভাবিত করে ঘোড়া প্রতীক প্রার্থী আলতাফ মাহমুদ দিপুর বিজয় বাধা গ্রস্থ করছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, এক সংসদ সদস্য ও তিন ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে তার সমর্থিত প্রার্থীকে ভোট দিতে বলা প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত এবং অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনকে প্রভাবিত করাসহ নির্বাচন আচরণবিধির মারাত্মক লংঘন।
চিংড়ি প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম রাজু ঢালী বলেন, কোন অভিযোগ দিয়েছে কিনা জানি না। সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথ ঢাকা রয়েছেন। কোন উঠান বৈঠকে সংসদ সদস্য আসেনি। মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রার্থী আলতাফ মাহমুদ দিপু প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, হিজলা উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে উঠান বৈঠকে অংশ নিয়ে ভোট চেয়েছেন এমপি পঙ্কজ নাথ। নির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটানিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে। সঙ্গে অডিও ক্লিপও জমা দেওয়া হয়েছে।
সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা ও হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রির্টানিং কর্মকর্তা বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মনদীপ ঘরাই প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, আমি কোন কিছু পাইনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা পেলে, তিনিই ব্যবস্থা নিবেন। সেটা রির্টানিং কর্মকর্তা পর্যন্ত আসার প্রয়োজন নেই।