বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৪ ২১:১১ পিএম
আপডেট : ১২ মে ২০২৪ ২১:২৪ পিএম
পৌর মেয়র পদ থেকে বরখাস্ত হওয়া জানে আলম খোকা।
অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বগুড়ার শেরপুর পৌরসভার মেয়র জানে আলম খোকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রবিবার (১২ মে) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. আব্দুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, শেরপুর পৌরসভার মেয়র জানে আলম খোকা বিধিবহির্ভূতভাবে বাসটার্মিনালের ২০২০ এবং ২০২১ সালে ইজারা মওকুফ, অনিয়মতান্ত্রিকভাবে মাস্টাররোলে কর্মচারী নিয়োগ, জিপ গাড়ি মেরামতের নামে অতিরিক্ত বিল প্রদান, ২২৮টি দোকান বরাদ্দ প্রদান না করা, পৌরসভার বিভিন্ন ক্রয়ে দুর্নীতি ও অনিয়ম, পৌরসভার গৃহকর অ্যাসেসমেন্টে দুর্নীতি, ইমারত ও ভূমির ওপর অতিরিক্ত কর আদায় সংক্রান্ত আনীত অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।
অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩২ (১) (খ) (ঘ) এবং (২) অনুযায়ী তাকে মেয়র পদ হতে অপসারণের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন ২০০৯ এর ধারা ৩১ (১) অনুযায়ী কোনো পৌরসভার মেয়রের বিরুদ্ধে অপসারণের কার্যক্রম শুরু করা হলে অথবা ফৌজদারি মামলার অভিযোগপত্র বিজ্ঞ আদালতে গৃহীত হলে, সেক্ষেত্রে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় মেয়রকর্তৃক ক্ষমতা প্রয়োগ পৌরসভার স্বার্থের পরিপন্থি অথবা প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণে সমীচীন নয় মর্মে সরকার মনে করে। যেহেতু স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন ২০০৯ এর ধারা ৩১ (১) অনুযায়ী শেরপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ জানে আলম খোকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে আরেকটি প্রজ্ঞাপনে পৌরসভার প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজের সুবিধার্থে ‘মেয়রের আর্থিক ক্ষমতা’ পৌরসভার প্যানেল-১ মেয়র নাজমুল আলম খোকনকে অর্পণ করা হয়।
এ বিষয়ে শেরপুর পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইমরোজ মুজিব বলেন, ‘প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি শুনেছি। তবে চিঠি এখনও হাতে পাইনি।’
জানতে চাইলে বরখাস্ত হওয়া জানে আলম খোকা প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘অনলাইনে জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বরখাস্তের বিষয়টি জেনেছি। সেখানে আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো সঠিক নয়।’
প্রজ্ঞাপনের চিঠি হাতে পেলে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন বলেও জানান তিনি।