মানিকগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৪ ১৩:৫৪ পিএম
আপডেট : ১০ মে ২০২৪ ১৭:১৩ পিএম
শুক্রবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আসিম জাওয়াদের মরদেহ বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি হেলিকপ্টার মানিকগঞ্জ শহীদ মিরাজ-তপন স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। প্রবা ফটো
চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীতে বিধ্বস্ত বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমানের নিহত পাইলট আসিম জাওয়াদের মরদেহ নিজ জেলা মানিকগঞ্জে পৌঁছেছে।
শুক্রবার (১০ মে) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আসিম জাওয়াদের মরদেহ বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি হেলিকপ্টার মানিকগঞ্জ শহীদ মিরাজ-তপন স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। এ সময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ৫০ সদস্যের একটি টিম ও নিহতের পরিবার, আত্মীয়স্বজনসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা মরদেহটি গ্রহণ করেন।
বাদ জুমা শহীদ মিরাজ-তপন স্টেডিয়ামে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে সেওতা কবরস্থানে দাফন করা হবে। শেষবারের মতো আসিম জাওয়াদকে দেখতে স্বজন ও স্থানীয়রা ভিড় জমায়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা জহুরুল হক বিমানঘাঁটি থেকে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়নের পরই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয় এবং বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর বিমানটি কর্ণফুলী নদীতে বিধ্বস্ত হয়ে গুরুতর আহত হন উইং কমান্ডার সোহান ও স্কোয়াড্রন লিডার আসিম জাওয়াদ। পতেঙ্গা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে মারা যান আসিম জাওয়াদ।
আসিম জাওয়াদ মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার গোপালপুর গ্রামের ড. আমান উল্লাহ ও নীলুফা আক্তারের ছেলে।
তিনি ২০০৭ সালে সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল থেকে এসএসসি, ২০০৯ সালে সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যোগদান করেন এবং ২০১১ সালের ১ ডিসেম্বর ক্যাডেটদের জন্য সর্বোচ্চ সম্মান সোর্ড অব অনার প্রাপ্তিসহ জিডি (পি) শাখায় কমিশন লাভ করেন। ২০১২ সালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস্ থেকে বিএসসি (অ্যারো) পাস করেন আসিম।
চাকরিকালে আসিম বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিটে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি পেশাদারি দক্ষতা ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘মফিজ ট্রফি’, ‘বিমান বাহিনী প্রধান ট্রফি’ ও বিমান বাহিনী প্রধানের প্রশংসাপত্র লাভ করেন।