ভুবন সেন, খানসামা (দিনাজপুর)
প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৪ ১৬:০১ পিএম
আপডেট : ০৩ মে ২০২৪ ২১:০৫ পিএম
প্রকৃতির শোভাবর্ধন করছে কৃষ্ণচূড়া। দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা থেকে তোলা। প্রবা ফটো
মাসখানেক ধরে বৈশাখের তীব্র দাবদাহে জনজীবন স্থবির হয়ে আছে। গ্রীষ্মের প্রখর রৌদ্রে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় প্রকৃতি যেন আগুন জ্বেলেছে। গাছে গাছে ফুটেছে লাল কৃষ্ণচূড়া। যার মোহনীয় রূপে সেজেছে উপজেলার পথ-প্রান্তর।
রক্তিম কৃষ্ণচূড়ার চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্য যেন হার মানায় ঋতুরাজ বসন্তকেও। এই কৃষ্ণচূড়াই গ্রীষ্মকে দেয় অন্য এক মাত্রা। যা দেখলে যে কারও মন জুড়িয়ে যায়।
শুক্রবার (৩ মে) উপজেলার বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখা যায়, রাস্তা-ঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর, এমনকি বাড়ির উঠানেও অনন্য রূপ ধারণ করে ফুটেছে রক্তিম কৃষ্ণচূড়া। গাছে রক্তিম আভা নিয়ে জেগে থাকা কৃষ্ণচূড়া দৃষ্টি কাড়ছে ফুলপ্রেমীদের। প্রকৃতিপ্রেমীরাও ছুটে আসছে কৃষ্ণচূড়ার এ সৌন্দর্য উপভোগ করতে। কেউবা ব্যস্ত কৃষ্ণচূড়ার সঙ্গে ছবি তোলায়।
কৃষ্ণচূড়ার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিখ রেজিয়া। এটি ফাবাসিয়ি পরিবারের অন্তর্গত একটি বৃক্ষ। ‘গুলমোহর’ নামেও এর পরিচিতি রয়েছে। কৃষ্ণচূড়া ফুলগুলো গাঢ় লাল রঙের হয়। ফুলের ভেতরের অংশ হালকা হলুদ ও রক্তিম হয়।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী প্রকৃতিপ্রেমী মারুফ হাসান রিফাত প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহের মাঝে কৃষ্ণচূড়া স্বস্তি দেয়। এ সময়টা বাংলার পথ-প্রান্তর মাতিয়ে রাখে কৃষ্ণচূড়া । পথে-প্রান্তরে দাঁড়িয়ে থাকা এসব গাছ মন ভালো করে দেয়।’
উপজেলার আংগারপাড়া ইউনিয়নের কৃষক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা কৃষিকাজ করি। কাজ করে মাঝে মাঝে এই কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে বিশ্রামের জন্য বসি। এই গাছের নিচে বসলে শরীরও শীতল হয়।’
খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তাজউদ্দিন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘খানসামা উপজেলার প্রায় সব জায়গায় কৃষ্ণচূড়া গাছ রয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ সেসব গাছ তদারকি করে। সৌন্দর্যবর্ধক এই গাছ রক্ষায় আমাদের সকলকে কাজ করতে হবে।’