× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বুশরাকে নিয়ে স্বজনরা কী বলছেন

মধ্যাঞ্চলীয় ব্যুরো

প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০২২ ০৭:৩২ এএম

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০২২ ১৩:১৫ পিএম

নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ ও তার বান্ধবী আমাতুল বুশরা। ফাইল ফটো

নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ ও তার বান্ধবী আমাতুল বুশরা। ফাইল ফটো

আমাতুল বুশরা এখন কিশোরগঞ্জের আলোচিত নাম। তাকে নিয়ে সারা জেলায় নানা আলোচনা চলছে। বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ হত্যাকাণ্ডের পর সারা দেশে তার নাম আলোচনায় আসে।

জানা যায়, ২০১৮ সালের শেষের দিকে একটি ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে বুশরার সঙ্গে পরিচয় হয় ফারদিন নূর পরশের। পরিচয়ের পর বিভিন্ন সময়ে একে অপরের সঙ্গে কথা বলত, আড্ডা দিত। এভাবে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।  বুশরার মা ইয়াসমিনের ভাষ্য, বুশরা ও ফারদিনের এমন মধুর সম্পর্ক হত্যাকাণ্ডে রূপ নিতে পারে না।

কিশোরগঞ্জ শহরে অবস্থানরত একাধিক শিক্ষার্থী জানান, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র ফারদিন নূর পরশের সঙ্গে চার বছর আগে প্রথমে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় আমাতুল বুশরার। এরপর বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিষয়ে পরামর্শ নিতে ফারদিনের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন বুশরা। ঘটনাটি বুশরার পরিবারও জানত। তবে সম্পর্কটি প্রেমের ছিল না বলে দাবি বুশরার মা ইয়াসমিনের।

কিশোরগঞ্জ শহরের বয়লা এলাকায় একটি তিনতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় থাকে বুশরার পরিবার। তার বাবা মঞ্জুরুল ইসলাম ওরফে সবুজ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট। ২০১৭ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। মা ইয়াসমিন গৃহিণী। তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে বুশরা সবার বড়। তারা এখানকার স্থায়ী বাসিন্দা। 

স্থানীয়রা জানান, বুশরাদের বাড়িতে এক ধরনের নীরবতা বিরাজ করছে। বাসায় বুশরার ছোট ভাই, বোনকে নিয়ে মা ইয়াসমিন অবস্থান করছেন। বুশরার বাবা মঞ্জুরুল ইসলাম বর্তমানে ঢাকায় রয়েছেন।

বুশরার মা ইয়াসমিন জানান, কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এবং ওয়ালীনেওয়াজ খান কলেজে পড়ার সময় থেকে বিভিন্ন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিত বুশরা। এ কারণে বিতর্ক পারদর্শী বা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় এমন মানুষের সঙ্গে বুশরা নিজে থেকেই যোগাযোগ রাখত।

ফেসবুকে পরিচয়ের পর মেসেঞ্জার ও মুঠোফোনে বিভিন্ন সময়ে একে অপরের সঙ্গে কথা বলত তারা। এভাবেই তাদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মা ইয়াসমিন জানান, বিষয়টি বুশরা তার মাকে জানিয়েছিল। তবে তাদের মধ্যে প্রেমের কোনো সম্পর্ক ছিল না। তা ছাড়া বুশরা ফারদিনের কাছ থেকে অনেক বিষয় শিখতে পারছে বলেও জানিয়েছিল।

বুশরার মায়ের দাবি, এমন একটি মধুর সম্পর্ক কোনোভাবেই হত্যাকাণ্ডে রূপ নিতে পারে না। তার মেয়ে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত নয়।

বুশরার চাচা আমিনুল ইসলাম সোহেল জানান, ফারদিনের সঙ্গে বুশরার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তিনিও তাদের পরিবারের সদস্যদের মুখে শুনেছেন।

তিনি বলেন, ‘৮ নভেম্বর রাতে বুশরাকে ডিবি কার্যালয় থেকে ফোন করা হলে সে তার বাবাকে জানায়। খবর পেয়ে বুশরার বাবা ঢাকার উদ্দেশে রওনা করেন। এখনও তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন।’

সোহেল আরও জানান, গত বছর ইস্ট-ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ইংরেজি বিষয়ে পড়ালেখা শুরু করে তার ভাতিজি। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং ক্লাবের হয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিত। বর্তমানে ঢাকার রামপুরার একটি ছাত্রী হোস্টেলে সহপাঠী অন্য মেয়েদের সঙ্গে থাকে বুশরা।

তিনি আবেগ-আপ্লুত হয়ে বলেন, মেয়েটা চোখের সামনে বড় হয়েছে। ওর চলাফেরাও ছিল অত্যন্ত সাবলীল। সে এমন হত্যাকাণ্ডে জড়িত হবে, আমরা কোনোভাবেই বিশ্বাস করি না। আমরা চাই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক। প্রকৃত অপরাধীরা ধরা পড়ুক।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা