প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০২৪ ১১:১১ এএম
আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৪ ১১:২২ এএম
প্রত্যেক কারিগর দিনে তৈরি করছেন প্রকারভেদে চার থেকে ছয়টি পোশাক। ছবি : সংগৃহীত
ঈদ সামনে রেখে নতুন নতুন পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কুমিল্লার দর্জিপাড়ার কারিগররা। পোশাক তৈরির অর্ডার নেওয়া শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছেন টেইলার্সগুলোর কর্ণধাররা।
কুমিল্লা শহরসহ ইউনিয়ন পর্যায়ের গ্রামগঞ্জের হাটবাজারের দর্জি দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, ছোটবড় প্রতিটি দোকানেই সেলাই কাজের প্রচুর অর্ডার পাচ্ছেন কারিগররা। প্রত্যেক কারিগর দিনে তৈরি করছেন প্রকারভেদে চার থেকে ছয়টি পোশাক।
দর্জি কারিগর পলাশ, বাতেন ও কামরুল জানান, দিন যতই যাচ্ছে ক্রেতার ভিড় ততই বাড়ছে। তবে এ বছর প্রতিটি পোশাকের মজুরি বাড়িয়ে দিয়েছেন টেইলার্স মালিকরা। ফলে কাজের আগ্রহও বেড়ে গেছে কারিগরদের। কাজের চাপে তাদের দম ফেলার সময় মিলছে না। দোকানে অনেক কাপড়ের অর্ডার পেয়েছেন। এগুলো সেলাই করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন, তাই নতুন করে অর্ডার নেওয়া হয়তো দুয়েক দিনের মধ্যে বন্ধ করে দিতে হবে। কিছুদিন পর পবিত্র ঈদুল ফিতর। এবার মানুষ অনেক কাপড় তৈরি করতে দিচ্ছে। ডিজাইনের ওপর নির্ভর করে মজুরি নেওয়া হচ্ছে। তবে কারিগরদের মজুরি বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে পোশাক তৈরির মজুরিও বাড়াতে হয়েছে।
ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা ভারতীয় টিভি সিরিয়ালের বিভিন্ন চরিত্রের পোশাকের আদল ও ডিজাইনে পোশাক বানাতে চান। এজন্য মোবাইলে পছন্দের পোশাকের ছবি নিয়ে অনেকে ছুটে আসছেন। নিজের জন্য পছন্দের ডিজাইনের পোশাকের অর্ডার দিচ্ছেন।
দেখা গেছে, শার্টপ্যান্টের চেয়ে ছেলেদের বেশি আগ্রহ পাঞ্জাবিতে। মেয়েদের পছন্দ সালোয়ার-কামিজ আর লং ফ্রক। সঙ্গে রয়েছে নানা রঙের বোরকা। এটিও এখন তরুণীদের ফ্যাশনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দর্জিরা বলছেন, ঈদ ঘিরেই তাদের ব্যস্ততা সবচেয়ে বেশি থাকে। কুমিল্লা শহরের টপটেনের কাটিং মাস্টার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ক্রেতারা আগের মতো এখন আর ক্যাটালগ চাচ্ছেন না। বরং তারা নিজেরাই ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে আমাদের দেখান, ওই হিসেবে আমরা তৈরি করে দিই।’
কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘পবিত্র ঈদের আগে ও পরে যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো প্রকার অবনতি না ঘটে সেদিকে পুলিশ সদস্যরা সজাগ রয়েছেন।’
সূত্র : বাসস