রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২২ ১৮:৪৭ পিএম
আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২২ ১৯:০৯ পিএম
নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত রাশেদ। ছবি : প্রবা
কয়েক হাজার পরীক্ষার্থীর সঙ্গে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিদর্শক পদের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন মো. আব্দুল রাশেদ। তার বাড়ি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বাউসা গ্রামে। এ পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ছিল ১১০১৩০০৫৪।
গত ৪ নভেম্বর ওই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হন রাশেদ। এরপর মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের ভাইভা অনুষ্ঠিত হয়। সময়মতো রাশেদও সেই ভাইভায় অংশ নেন। তবে ভাইভা বোর্ডে ঢোকার পর দেখা দেয় বিপত্তি। রাশেদের ভাইভায় বসে হাতের লেখার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষার খাতার হাতের লেখার অমিল পাওয়া যায়। ভাইভা বোর্ডের সদস্যদের মনে এ নিয়ে দেখা দেয় সন্দেহ।
ভাইভা বোর্ডে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল। জেরার একপর্যায়ে পুরো বিষয়টি স্বীকার করেন রাশেদ। তিনি জানান, অর্থের বিনিময়ে লিখিত পরীক্ষায় অন্যজনকে বসিয়ে নিজে পাস করার ব্যবস্থা করেছিলেন। এরপর রাশেদকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আঞ্জুমান সুলতানা বলেন, ‘রাশেদ নামের ওই যুবক তার লিখিত পরীক্ষায় অন্যজনকে দিয়ে পরীক্ষা দিইয়েছিল। ভাইভা বোর্ড তা ধরে ফেলে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে রাশেদকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’