× ই-পেপার প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি ফিচার চট্টগ্রাম ভিডিও সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

থানাকে না জানিয়ে আসামি ধরতে গিয়ে সাসপেন্ড হলেন এএসআই

 লক্ষ্মীপুর প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২৪ ১৬:৫৬ পিএম

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২৪ ১৭:০৬ পিএম

এএসআই আমিনুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

এএসআই আমিনুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে থানায় তথ্য না দিয়ে সিভিল পোশাকে এক যুবককে আটক করার অভিযোগে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমিনুল ইসলামকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। 

শুক্রবার (২২ মার্চ) বেলা ৩টার দিকে সহকারী পুলিশ সুপার রামগতি সার্কেল সাইফুল আলম চৌধুরী ও কমলনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল জলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আলমগীর হোসেন রামগতি উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন কৃষক।

আলমগীরের স্ত্রী শাহিদা বেগম বলেন, ‘১৯ মার্চ রাত সাড়ে ১১টার দিকে আমার স্বামীকে ডিবি পরিচয়ে চার-পাঁচজন তুলে নিয়ে যায়। তুলে নেওয়ার দুই-তিন ঘণ্টা পর আলমগীরের ফোন থেকে ৬০ হাজার টাকা দাবি করে ওপাশ থেকে কেউ একজন কথা বলে। পরে টাকা নিয়ে কমলনগরের ফজুমিয়ারহাট-লরেন্স সড়কের পাশে যেতে বলে। স্বামীকে বাঁচাতে টাকা নিয়ে স্থানীয় মেম্বারসহ কয়েকজনকে নিয়ে ঘটনাস্থল যাই। তখন পরিচয় জানতে চাইলে তাদের সঙ্গে পুলিশের সোর্সদের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম তাকে পুলিশ দাবি করেন। তিনি কমলনগর থানার এএসআই বলে পরিচয় দেন।’

চরবাদাম ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মাইন উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘ঘটনার দিন আমি ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ফোন দিই, কিন্তু তিনি পরিচয় দেননি। টাকা নিয়ে দ্রুত তার কাছে যাওয়ার জন্য বলে। পরে আমি আমাদের থানার ওসিকে বিষয়টি জানাই। আমাদের ওসি বিষয়টি কমলনগর থানার ওসিকে জানায়। আমিনুল কমলনগর থানার পুলিশ হয়ে রামগতিতে ঢুকে মুখ বেঁধে আলমগীরকে নিয়ে যায়। আলমগীর একসময় গাঁজা সেবন করত। তার বিরুদ্ধে দুয়েকটি মামলা রয়েছে। এখন সে ভালো হয়ে গেছে। আলমগীর কৃষিকাজ করে।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এএসআই আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারি আলমগীর গাঁজা বিক্রি করছিল। এতে তাকে আটক করে নিয়ে আসি। কমলনগরের ফজুমিয়ার হাট এলাকায় তার আত্মীয়স্বজন এসে আমাদের ওপর হামলা করে। একপর্যায়ে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। আমার হ্যান্ডক্যাপ, মানিব্যাগ নিয়ে গেছে তারা। আমি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছি।’

কমলনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল জলিল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। 

তিনি বলেন, ‘এএসআই আমিনুল থানায় কোনো ধরনের তথ্য না দিয়ে সিভিল পোশাকে একজনকে আটক করেন। বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ সুপার তাৎক্ষণিক তাকে সাসপেন্ড করেছেন।’

সহকারী পুলিশ সুপার রামগতি সার্কেল সাইফুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘আমি চট্টগ্রাম আছি। লক্ষ্মীপুর থাকাকালীন আমিনুলকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করে নিয়ে যাওয়া হয়। তাকে সাসপেন্ড করার কথা ছিল। পরে তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুর না থাকায় আমি চিঠিটি পাইনি।’ 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০১৭১২০৩৩৭১৫ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা