× ই-পেপার প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি ফিচার চট্টগ্রাম ভিডিও সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

রমজানে আমের চাহিদা মেটাচ্ছে কাটিমন

মেহেদী হাসান শিয়াম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৪ ১৫:০৬ পিএম

আপডেট : ২০ মার্চ ২০২৪ ১৯:৪৮ পিএম

চাপাইনবাবগঞ্জে নতুন সৃজন হওয়া বাগানগুলোতে চলছে কার্টিমান আমের চাষাবাদ। সমাপ্রতি তোলা। প্রবা ফটো

চাপাইনবাবগঞ্জে নতুন সৃজন হওয়া বাগানগুলোতে চলছে কার্টিমান আমের চাষাবাদ। সমাপ্রতি তোলা। প্রবা ফটো

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন সৃজন হওয়া বাগানগুলোয় কাটিমন আমের চাষাবাদ হচ্ছে। চলতি রমজান মাসে আমের চাহিদা মেটাচ্ছে নাবি জাতের এই আম। জেলার ভোক্তাদের চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ দেশের দূরবর্তী জেলাগুলোর বাজারেও পৌঁছে গেছে বারমাসি সুমিষ্ট এই আম।

কাটিমন আম বাগানের মালিকরা বলছেন- সাধারণত মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত আমের মৌসুম ধরা হয়, কিন্তু নাবি জাতের কাটিমন আম উৎপাদন করা যায় বারো মাসই। এবার রমজান মাসকে সামনে রেখে কাটিমন আম চাষ করেছেন তারা। এর কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করছেন, গত বছর রমজান মাসে কাটিমন বিক্রি করে আশানুরূপ দাম পেয়েছিলেন। এরই ফলে এবারও রমজানকে সামনে রেখেই বাগানে কাটিমন আম চাষ করেছেন, যা এখন বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এবার কয়েক হাজার মণ কাটিমন আম বাজারজাতের প্রত্যাশা তাদের। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস জানায়, বাজারে চাহিদা থাকায় কাটিমন আমের চাষ বাড়ছেই। গত বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৯৭ হেক্টর জমিতে কাটিমনের আবাদ করেছিলেন বাগান মালিকরা। এবার ৪৮১ হেক্টর বেড়ে জেলায় কাটিমন আবাদ হচ্ছে ৮৭৮ হেক্টর জমিতে।

সরেজমিনে কাটিমন আমের বাগানগুলোয় গিয়ে দেখা গেছে, ছোট ছোট সারিবদ্ধ আম গাছ। গাছগুলোর মুকুলের ফাঁকে ফাঁকে থোকায় থোকায় ঝুলছে সুমিষ্ট কাটিমন আম। একই গাছে পরিপক্ব আম ও মুকুলের ভারে ভেঙে পড়ছে অনেক ডালপালা। এসব মুকুলের ডগা ভেঙে ডালে ঝুলতে থাকা আমগুলো রক্ষায় চলছে চাষিদের কর্মযজ্ঞ। পরিপক্ব আম গাছ থেকে নামিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

বরেন্দ্র অঞ্চলের আমচাষি রুবেল হোসেন গত বছর থেকেই রমজান মাসকে সামনে রেখে কাটিমন চাষ করেছেন। প্রায় ২৫ বিঘা আম বাগান থেকে রমজান মাসে ২৫০ মণ কাটিমন জাতের আম বিক্রির লক্ষ্য তার। প্রতি মণ ১৩ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা দরে এই বাগান থেকে এবার ৩০ লাখ টাকার আম বিক্রির আশা এই বাগান মালিকের। 

রুবেল হোসেন বলেন, মৌসুম ছাড়া এই কাটিমন আমের উৎপাদন হয় বলে বাজারে চাহিদা অনেক। রমজানে এই আম ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা যায়। এই আম খেতে অনেক সুস্বাদু হওয়ায় ভোক্তারা বেশি দাম দিয়ে কেনেন। এই আম চাষ করে দাম ও বাজারজাত নিয়ে কোনো চিন্তা করতে হয় না। বাগান থেকেই এই আম কিনে নিয়ে যায় ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। 

আরেক কাটিমন আমচাষি শফিকুল ইসলাম বলেন, রমজান মাসে আমের চাহিদা থাকায় কাটিমনের আবাদ করেছি। অন্য সময়ের তুলনায় এ সময়ে আমের দাম ভালো পাওয়া যায়। বাগানের গাছে থাকা পরিপক্ব আমগুলো গাছ থেকে নামিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছে। 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. পলাশ সরকার বলেন, সাধারণত মৌসুম ছাড়া আমের চাহিদা বেশিই থাকে। চাহিদা বেশি থাকার কারণে ভালো দাম পাওয়ায় পরিকল্পিত পদ্ধতিতে কাটিমন জাতের আম চাষ বাড়ছে। রমজান উপলক্ষে নিরাপদ আম উৎপাদনে জেলা কৃষি অফিস বাগান মালিকদের সব ধরনের সহায়তা করছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০১৭১২০৩৩৭১৫ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা