× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

৫ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসেনি চট্টগ্রামে সুগার মিলের আগুন

চট্টগ্রাম অফিস

প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৪ ১৭:৩২ পিএম

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২৪ ২২:০৪ পিএম

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে মইজ্জারটেকে সুগার মিলে আগুন। ছবি : নিপুল কুমার দে

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে মইজ্জারটেকে সুগার মিলে আগুন। ছবি : নিপুল কুমার দে

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জারটেকের একটি সুগার রিফাইনারি কারখানায় আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি কাজ করছে নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা। কিন্তু সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বলতে থাকায় হাজার কোটি টাকা লোকসানের শঙ্কা করা হচ্ছে। কারখানাটি এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন। 

এদিন বিকাল চারটার দিকে কারখানার এক নম্বর গুদামে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের আগ্রাবাদ কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে তাদের ৯টি ইউনিট শুরু থেকে কাজ করছে। পরে আরও ৯টি ইউনিটের সঙ্গে কোস্টগার্ড, নৌ ও বিমানবাহিনীর একাধিক ইউনিট যোগ দেয়। 

আগুন লাগার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, এক নম্বর গুদামটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। যেভাবে আগুন জ্বলছে, ফায়ার সার্ভিসের লোকজন বলছে, আগুন নিজ থেকে জ্বলে নিঃশেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত কিছু করার সুযোগ নেই। যে কারণে গুদামের ভেতর পানি না ছিটিয়ে আগুন যাতে না ছড়িয়ে পড়ে সেজন্য গুদামের চারপাশে আগুন ছিটাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাদের সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয় নৌবাহিনী। কিন্তু তাতেও কোনো কাজে আসছে। রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

কারখানার এইচআর অ্যাডমিন মোহাম্মদ হোসাইন জানান, কারখানার এক নম্বর গুদামে প্রায় এক লাখ টন অপরিশোধিত চিনি ছিল। রমজানে বাজারজাত করার জন্য চিনিগুলো আমদানি করার পর গুদামে রাখা ছিল। পরিশোধন করার পর চিনিগুলো বাজারজাত করার কথা ছিল। কারখানা প্রাঙ্গনে আরও তিনটি গুদামে তিন লাখ টন চিনি রয়েছে। আগুনে যাতে ওই গুদামগুলোর কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হয়, আমরা সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী কাজ করছে। কিন্তু ফায়ার সার্ভিস নষ্ট কতগুলো পাম্প নিয়ে এসেছে, যেগুলো কোনো কাজে আসেনি। আগুন নির্বাপনে আমরা ফায়ার সার্ভিসকে পরামর্শ দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা আমাদের কথা না শুনে তারা তাদের মতো করে কাজ করছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে। যেখানে আগুনের সূত্রপাত ঘটে, ওই সময় সেখানে কেউ ছিলেন না।’

আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি টন চিনি বিক্রি হচ্ছে ৫৯৫ ডলারে। প্রতি ডলার ১১০ টাকা হিসেবে ধরলে প্রতি টন চিনির আমদানিমূল্য দাঁড়ায় ৬৫ হাজার ৪৫০ টাকা। এই হিসেবে এক লাখ টন চিনির আমদানি মূল্য দাঁড়ায় আনুমানিক ৬৫৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। শুল্ককর পরিশোধসহ হিসাব করলে ওই গুদামে প্রায় হাজার কোটি টাকার চিনি ছিল। আগুনে চিনিগুলো পুড়ে যাচ্ছে। সেই হিসেবে গুদামটিতে আগুন লেগে লোকসান হতে যাচ্ছে প্রায় হাজার কোটি টাকা।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা