গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২০:৩২ পিএম
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২০:৫৬ পিএম
গোপালগঞ্জের হরিদাসপুর রয়েল টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। প্রবা ফটো
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গোপালগঞ্জে দাখিল পরীক্ষার্থী মায়ের হয়ে মেয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে ধরা পড়েছে। এ অপরাধে সপ্তম শ্রেণিপড়ুয়া ওই প্রক্সি পরীক্ষার্থীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে মূল পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) আরবি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা চলাকালে হরিদাসপুর রয়েল টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
কেন্দ্র সচিব আতিয়ার রাসুল হিমেল প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় প্রবেশপত্রে রঙিন ছবির স্থলে সাদাকালো ছবি দেখে পরীক্ষাকেন্দ্রের শিক্ষক কানিজ রাফেজার সন্দেহ হয়। বিষয়টি ওই শিক্ষক আমাকে জানান। তখন আমি পরীক্ষাকেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শামীম হাসানকে জানাই।’
কেন্দ্র সচিব আরও বলেন, ‘এরপর পরীক্ষা চলাকালীন বেলা ১১টার দিকে আমরা যাচাই করতে ওই কক্ষে যাই। প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর ছবির অমিল দেখা যায়। এর মধ্যে কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাসেল মুন্সীকে বিষয়টি অবহিত করি।’
এরপর ওই ছাত্রীর স্বাক্ষর নেওয়া হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অ্যাডমিট কার্ডের স্বাক্ষরের সঙ্গে তার স্বাক্ষর মিল পাওয়া যায়নি। পরে জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েটি জানায়, সে তার মায়ের প্রক্সি দিতে এসেছে। সে গোপালগঞ্জ শহরের শেখ হাসিনা স্কুল অ্যান্ড কলেজে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে বলে সবার সামনে স্বীকার করে।’
এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রক্সি পরীক্ষার্থীকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তার মা মূল পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়, জানান কেন্দ্র সচিব আতিয়ার রাসুল হিমেল।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক রাসেল মুন্সী বলেন, ‘পরীক্ষার্থী মায়ের প্রক্সি দেওয়ার অপরাধে পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন ১৯৮০, ৩ (ক) ধারায় ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’
মেয়ে শিক্ষার্থীর খালু প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, জরিমানার এক লাখ টাকা তারা ব্যাংকে জমা দিয়েছেন।