আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২২:২৪ পিএম
আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন পুলিশ চেকপোস্টের সার্ভার দুর্বলতায় ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই দেশের যাত্রীরা। প্রবা ফটো
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন পুলিশ চেকপোস্টের সার্ভার দুর্বলতায় যাত্রী পারাপারে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই দেশের যাত্রীরা। বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই এ সমস্যা দেখা দেয়।
আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশের এএসআই দেওয়ান মোর্শেদুল হক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘সকাল থেকেই যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। হঠাৎ করে যাত্রীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় সার্ভার ধীরগতি হয়ে পড়ে। সফটওয়্যার টেকনিক্যাল টিমের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি ইমিগ্রেশনে যে সার্ভার রয়েছে সেইটির ধারণক্ষমতা কম। তাই যাত্রীদের চাপে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে সময় নিচ্ছে।’
ইমিগ্রেশন অফিস সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়া ইমিগ্রেশন অফিসে তিনটি কম্পিউটার ডেস্ক রয়েছে। এরমধ্যে দুটি ডেস্কে বহির্গমন এবং এটিতে আগমনী যাত্রীদের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। বুধবার সকাল থেকে যাত্রী চাপ বেড়েছে। এতে করে সার্ভার দুর্বল হয়ে যায়। ১-২ মিনিটের কাজে ১৫-২০ মিনিট সময় লাগছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ধীরগতিতে কাজ হওয়ায় ভারত-বাংলাদেশগামী শত শত যাত্রী ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ইমিগ্রেশন এলাকাটি ছোট হওয়ায় বসার মতো পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এতে রোগী, শিশু ও বয়স্কদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।
অসুস্থ মাকে নিয়ে ভারতে চিকিৎসা করাতে যাচ্ছেন মৌলভীবাজারের বাসিন্দা মহসিন আলী। তিনি বলেন, ‘বৃদ্ধ মাকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভারতে যাচ্ছি। সকাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। কাজ হচ্ছে কচ্ছপ গতিতে। আমার মা বৃদ্ধ, তার ওপর অসুস্থ মানুষ। এখানে বিশ্রাম করার বা বসার কোন জায়গা নেই। ফলে তাকে নিয়ে কষ্ট করতে হচ্ছে।’
সিলেটের বাসিন্দা ইষিতা দেব রায় ভারতে যাচ্ছেন ঘুরতে। তিনি জানান, এ পথে প্রথম যাচ্ছেন। সাড়ে ১০টায় ইমিগ্রেশনে এসে সার্ভার ধীরগতির কারণে বিড়ম্বনায় পড়েছেন। দেশ উন্নত হয়েছে। কিন্তু এই দিকটাতে সরকারের নজর দেওয়া উচিত। সিস্টেম আরও আপডেট হওয়া প্রয়োজন।