কক্সবাজার অফিস
প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৮:৩০ পিএম
আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২০:১১ পিএম
একুশে ফেব্রুয়ারির ছুটির দিনে সৈকতের বালিয়াড়িতে পর্যটকদের চাপ। প্রবা ফটো
একুশে ফেব্রুয়ারির ছুটিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার। পর্যটকেরা মেতেছেন বালিয়াড়ি ও নোনাজলে। তবে অনেকেই হোটেলে রুম না পেয়ে লাগেজ নিয়ে বালিয়াড়ির কিটকটে অবস্থান করছেন। তারা বলছেন, রুম না পেয়ে কক্সবাজার ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন কেউ কেউ।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একুশে ফেব্রুয়ারির সরকারি ছুটি আর বৃহস্পতিবার এক দিন ছুটি নিলে সাপ্তাহিক ছুটিসহ দাঁড়ায় টানা চার দিনের ছুটি। এ ছুটিতে পর্যটকের ঢল নেমেছে কক্সবাজারে।
বুধবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, বালিয়াড়িতে হাজারো পর্যটকের ভিড়। বালিয়াড়ির সামনে নীল জলরাশিতেও মানুষের ভিড়। যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। সবাই মেতেছেন বাঁধভাঙা আনন্দ-উল্লাসে।
গাজীপুর থেকে আসা এনামুল হক বলেন, ‘এতো মানুষ কক্সবাজার সৈকতে আর দেখিনি। বালিয়াড়িতে যেমন মানুষ, ঠিক তেমনি নোনাজলেও মানুষের ভিড়।’
ব্যবসায়ী ও পর্যটকের দেওয়া তথ্য বলছে, ছুটি মানেই কক্সবাজারে বাড়তি মানুষের চাপ। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। পাঁচ শতাধিক হোটেল মোটেল রিসোর্ট এখন পর্যটকে ঠাঁসা। অনেকেই রুম না পেয়ে লাগেজ বা ব্যাগ নিয়ে সৈকতের বালিয়াড়িতে অবস্থান নিয়েছেন। তারা বলছেন, রুম না পেয়ে কক্সবাজার ছাড়তে হচ্ছে তাদের।
কক্ষ না পেয়ে বাড়ি চলে যাওয়ার চিন্তার কথা জানিয়ে রাজশাহী থেকে আসা ইমতিয়াজ বলেন, ‘সকালে কক্সবাজার পৌঁছানোর পর অনেক হোটেলে গিয়েছি, কিন্তু কোথাও রুম পাইনি। শেষমেশ সৈকতের বালিয়াড়িতে লাগেজ ও ব্যাগ নিয়ে বসে আছি। যদি কোনো রুম পাই আজকে থেকে যাব। তা না হলে রাতের গাড়িতে রাজশাহীতে ফিরে যাব।’
এদিকে সাগর কিছুটা উত্তাল। বেড়েছে ঢেউয়ের পরিধি। তাই সমুদ্রস্নানে পর্যটকদের নিরাপত্তায় সচেতন করার পাশাপাশি সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে লাইফ গার্ড কর্মীদের।
সি সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার ইনচার্জ মোহাম্মদ ওসমান বলেন, ‘প্রচুর মানুষ। তাদের বেশির ভাগই সাগরে গোসল করছে। তাই সমুদ্রস্নানে নিরাপত্তায় কয়েক স্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’