× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া

প্রাথমিকের আট ভবন পানির দরে বিক্রি

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৫:৪১ পিএম

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৫:৪৩ পিএম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবন প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। প্রবা ফটো

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবন প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। প্রবা ফটো

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় আটটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবন প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। পূর্বেই এসব ভবনের ভিত্তিমূল্য কম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এসব ভবনের ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৬৮ হাজার ১১৬ টাকা। পরে সামান্য বেশি ১ লাখ ৭৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, একটি সিন্ডিকেট সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে কম দাম দেখিয়ে ভবনগুলো প্রকাশ্যে নিলামে ওঠায়। সেগুলো কেনার পরে তাৎক্ষণিকভাবেই ১০-১৫ গুণ বেশি দামে ১৪-১৫ লাখ টাকায় বিক্রি করে। 

নিলাম কমিটি সূত্রে জানা গেছে, রাধানগর, জাঙ্গাল, ছয়ঘরিয়া, নুরপুর ক্যাপ্টেন মাহবুব, নুরপুর, নয়াদিল, আনোয়ারপুর ও ভাটামাথা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবন নিলামে বিক্রি করা হয়। ভিত্তি মূল্যের চেয়ে মাত্র আটশ থেকে তিন হাজার টাকা বেশিতে এসব ভবন বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে মাত্র ৯ হাজার ৫০০ টাকায় আনোয়ারপুরের ভবন, ১৩ হাজার ৫০০ টাকায় ভাটামাথার ভবন, নুরপুর ক্যাপ্টেন মাহবুরের ভবন ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এ ছাড়া রাধানগরের ভবন ৩০ হাজার টাকা, নুরপুরের ভবন ২৮ হাজার টাকা, নয়াদিলের ভবন ৩০ হাজার টাকা, ছয়ঘরিয়ার ভবন ২৪ হাজার টাকা ও জাঙ্গালের ভবন ২৮ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিদ্যালয়, নিলাম সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেছেন, ভবনগুলো ‘পানির দরে’ বিক্রি করা হয়েছে।এতে ১০-১৫ লাখ টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে সরকার। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রকাশ্য নিলাম ডেকে এসব ভবন বিক্রি করা হয়। ঠিকাদাররা সিন্ডিকেট করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে সামান্য বেশি দামে কিনে পরে সেখানেই আবার ১০-১৫ গুণ দামে বিক্রি করে। তবে সিন্ডিকেটসহ ভবন বিক্রির বিষয়ে কোনো পক্ষই কথা বলতে রাজি হননি। 

আনোয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুলতানা ফেরদৌসি বলেন, ‘ভবনটি যে দামে (৯ হাজার ৫০০ টাকা) বিক্রি হয়েছে সেটা খুবই কম। তবে কীভাবে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে সেটি জানা নেই।’ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (প্রাথমিক) শাহ ইলিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘আমি এখানে নতুন যোগদান করেছি। নিলাম হওয়া ভবনগুলো সম্পর্কে খুব একটা ধারণা নেই। উপজেলা প্রকৌশলী দাম নির্ধারণ করেছেন। তিনি এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নিলাম ডাক কমিটির সভাপতি রাবেয়া আক্তার বলেন, ‘ভিত্তিমূল্যের চেয়ে বেশি দরে বিক্রির যে নিয়ম সেটা মেনেই সব করা হয়েছে। প্রকাশ্য নিলাম ডাকের বাইরে কী হয়েছেÑ সেটা জানা নেই। আর ভিত্তিমূল্যের বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলী ভালো বলতে পারবেন।’

তবে এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম সুমনের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। গত রবিবার দুপুরে একাধিকবার তার কার্যালয়ে গিয়ে বন্ধ পাওয়া যায়। পরে মোবাইল ফোনে জানান, নিলাম ডাকের নিয়ম মেনেই সব করা হয়েছে। ভিত্তিমূল্য কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন। এরপর বারবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি কেটে দেন। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা