× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মিয়ানমারে সংঘাত

সীমান্তবর্তী ঘুমধুমবাসীর নির্ঘুম রাত

বান্দরবান প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১২:০৩ পিএম

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৩:২০ পিএম

সীমান্তবর্তী ঘুমধুমবাসীর নির্ঘুম রাত

বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও দেশটির সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) লড়াই চলছে। সীমান্তের ওপারের তীব্র এই লড়াইয়ের রেশ এসে পড়ছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকাতেও। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তে গতকাল রাতেও মর্টার শেল ও গুলির শব্দ শোনা গেছে। তা চলে ভোর ৫টা পর্যন্ত। তীব্র গোলাগুলির শব্দে ভয় আর আতঙ্ক নিয়ে নির্ঘুম রাত কেটেছে সীমান্তবাসীর।

গতকাল রবিবার ভোর থেকে বিকাল পর্যন্ত লাগাতার সংঘর্ষ চলে। এরপর রাত ১১টা থেকে শুরু হয় গোলাগুলির শব্দ। চলে ভোর ৫টা পর্যন্ত। সকাল থেকে মোটামুটি বন্ধ থাকলেও সীমান্তঘেঁষা বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের মনে আতঙ্ক কাটেনি। এলাকার পরিবেশ থমথমে বিরাজ করছে।

স্থানীয়দের মতে, গোলাগুলি যেহেতু বন্ধ রয়েছে দেশটির সীমান্তের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ক্যাম্প আরাকান আর্মিরা পুরোপুরি দখলে নিয়েছে। কেননা, গতকাল দিনভর সংঘর্ষের মধ্যে সেসব ক্যাম্পে যারা ছিল তীব্র লড়াইয়ের মধ্যে তারা একপর্যায়ে প্রাণে বাঁচতে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধি বলেন, ‘আজ সকালে যখন গোলাগুলি বন্ধ হয়, তখন ওই ক্যাম্পে (বিজিপি ক্যাম্প) বেশকিছু সশস্ত্র মানুষের আনাগোনা দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে- আরাকান আর্মির সদস্যরা মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ক্যাম্পগুলো দখল করে নিয়েছে।’

ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর আজিজ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘রাত ১১টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত তীব্র গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। ভোর ৫টার পর থেকে এখন পর্যন্ত শান্ত আছে। কোনো গোলাগুলির শব্দ নেই।’


মিয়ানমারের চলা এই তীব্র সংঘাতের মধ্যে দেশটি থেকে আসা গুলি ও মর্টার শেল এসে পড়ছে বাংলাদেশে। গুলিতে অন্তত দুই বাংলাদেশি আহত হয়েছে। উড়ে আসা গোলার আঘাতে পুড়ে গেছে অন্তত তিনটি বাড়ি।

এমন পরিস্থিতির মধ্যে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছেন। সীমান্তবর্তী বিভিন্ন স্কুল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে লড়াইয়ে টিকতে না পেরে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা আশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে ঢুকে পড়ছেন। ইতোমধ্যে আহত বেশ কয়েকজনকে কক্সবাজার ও বান্দরবানের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অনেকে আশ্রয় নিয়েছেন বিজিবির বিভিন্ন ক্যাম্পে। চলমান যুদ্ধের মধ্যে এখন পর্যন্ত বিজিপির ৯৫ জন সদস্য বাংলাদেশ সীমান্তে আশ্রয় নিয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের ফেরত পাঠাবে সরকার।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা