গাজীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ ১৩:৩৬ পিএম
আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ ১৩:৫৬ পিএম
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন বলেছেন, ‘বিশ্ব ইজতেমা ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আর ইজতেমা ঘিরে কোনো ধরনের জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নেই। তারপরও অনলাইনে নজরদারি রাখা হয়েছে।’
বুধবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে গাজীপুরের টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় র্যাবের কন্টোল রুমে ইজতেমায় নিরাপত্তা পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
র্যাব মহাপরিচালক বলেন, বিশ্ব ইজতেমায় কোনো ধরনের জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নাই। আমরা এ ব্যাপারে সজাগ রয়েছি। আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার পেট্রোলিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছি। ইজতেমা এলাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিয়মিত টহল জোরদার ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করতে পর্যাপ্তসংখ্যক র্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে ইজতেমায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে র্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর র্যাব-১ সহ অন্যান্য পাঁচটি ব্যাটালিয়ন দায়িত্বরত থাকবে। ইজতেমা এলাকায় নিরাপত্তা সার্বক্ষণিকভাবে মনিটরিং করতে কন্টোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।
এ ছাড়া সদর দপ্তর থেকে সেন্ট্রাল কন্টোল রুম থেকে মনিটরিং করা হচ্ছে। যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য র্যাবের স্পেশাল টিম বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং পর্যাপ্ত স্টাইকিং রিজার্ভ ফোর্স সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও র্যাবের হেলিকপ্টার প্যাট্রোল প্রদান করা হবে। বিশ্ব ইজতেমায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমগ্র ইজতেমা ময়দান ঘিরে র্যাবের অবজারভেশন পোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। পর্যাপ্তসংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যাতে সার্বক্ষণিক ইজতেমা এলাকা পর্যবেক্ষণ করা যায়।
বিদেশি মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, বিদেশি মুসল্লিদের বিদেশি খিত্তা এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধকল্পে সতর্ক দৃষ্টি ও নজরদারি রাখা হয়েছে। ইজতেমামুখী যানবাহন ও যাত্রীদের তল্লাশির জন্য চেরাগআলী বাসস্ট্যান্ড, টঙ্গী-কালীগঞ্জ রোড, উত্তরা নর্থ টাওয়ারের সামনে ও আশুলিয়া কামারপাড়া এলাকায় নিয়মিত চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশ্ব ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতের দিন মুসল্লিরা যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য র্যাবের নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা রাখা হয়েছে।
ইজতেমার দুই গ্রুপ নিয়ে সমালোচনা করে এম খুরশীদ হোসেন বলেন, ইজতেমায় দুই গ্রুপের ডিভিশন হলে মুসল্লিদের আগ্রহ কমে যাবে। দুই গ্রুপ যদি ইজতেমায় ডিভিশন করে তাহলে কীসের মুসলমান। মুসল্লিরা ইজতেমায় আসার আগ্রহ হারাবে।