কুমিল্লা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৪ ১৯:২৫ পিএম
আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৪ ১৯:৫৭ পিএম
শিক্ষার্থীর পোশাক কেটে দেওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ করেছেন কুমিল্লা নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। প্রবা ফটো
কুমিল্লা নার্সিং ইনস্টিটিউটে এক শিক্ষার্থীর পোশাক কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরে ড্রেসকোড না মানায় বিরক্ত হয়ে তিনি কাজটি করেছেন বলে স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা নার্সিং ইনস্টিটিউটে দিনব্যাপী বিক্ষোভ করেন।
মঙ্গলবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজসংলগ্ন কুমিল্লা নার্সিং ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থীর হিজাবের কিছু অংশ কেটে দেন ইনস্টিটিউটের শিক্ষক মোসা. মিরণ নাহার বেগম। পরে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বুধবার সকালে ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের আটকে রেখে বাইরে তালা ঝুলিয়ে দেন। এ সময় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক মিরণ নাহার বেগম বলেন, ‘দুই বছর ধরে শিক্ষার্থীদের নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের ড্রেসকোড মেনে শ্রেণিকক্ষে আসার জন্য বলে আসছি। অধিকাংশ শিক্ষার্থী ড্রেসকোড মেনে শ্রেণিকক্ষে আসলেও কয়েকজন শিক্ষার্থী ড্রেসকোড মানছে না। তারা তাদের ইচ্ছেমতো ড্রেস পরে শ্রেণিকক্ষে আসছেন। হিজাব পড়তে কাউকে নিষেধ করা হয়নি। অনেক বলার পরও যারা ড্রেসকোড না মেনে হিজাব পরেছেন, তাই তাদের হিজাবের অতিরিক্ত অংশ কেটে দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আমি অনুতপ্ত।’
কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, হিজাব পরার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা কুমিল্লা নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে তালা দিয়েছেন। হিজাব কাটার সঠিক বিচার চান তারা।
কুমিল্লা নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ আকবরী খানম বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছি। সেটি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছি। আশা করি উনারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’